এইমাত্র
  • দেশবাসীর জন্য হঠাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
  • সংকটাপন্ন সেন্টমার্টিনের ‘রক্ষাদেয়াল’ কেয়াবন উজাড় হচ্ছে
  • পরিবেশবিদ থেকে সংসদে ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, মন্ত্রী করার দাবি স্থানীয়দের
  • দাউদকান্দিতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
  • ফুলবাড়ীতে জমিদারবাড়ির শিবমন্দিরে চতুর্দশী ব্রত, ভক্তদের ঢল
  • ভালুকায় মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলারের দাপট, বাড়ছে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি
  • রমজানে হাই স্কুল বন্ধের আদেশ স্থগিত
  • উচ্ছেদ হওয়া জমিতে ফের দখল, ১৫ দপ্তরে বিআইডব্লিউটিএর চিঠি
  • ভোলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় হত্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ
  • দুর্বল কাঁধে বিশাল দায়িত্ব বহনের চেষ্টা করবো: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  • আজ সোমবার, ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    উচ্ছেদ হওয়া জমিতে ফের দখল, ১৫ দপ্তরে বিআইডব্লিউটিএর চিঠি

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (কক্সবাজার) প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম
    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (কক্সবাজার) প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

    উচ্ছেদ হওয়া জমিতে ফের দখল, ১৫ দপ্তরে বিআইডব্লিউটিএর চিঠি

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (কক্সবাজার) প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

    কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর তীরের কস্তুরাঘাট এলাকায় উচ্ছেদ করা জমিতে আবারও ঘর তুলে দখলের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচনের রাত থেকেই সেখানে পুনর্দখল কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। সর্বশেষ দুই দিনে অন্তত ৩০টি টিনশেড ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।


    কক্সবাজার (কস্তুরাঘাট) নদীবন্দরের সীমানাধীন এলাকায় এভাবে দখল ফিরে আসায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। দখল বন্ধ ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে সংস্থাটি ১৫টি দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে।


    বিআইডব্লিউটিএর কক্সবাজার নদীবন্দরের পোর্ট অফিসার মো. আব্দুল ওয়াকিল স্বাক্ষরিত চিঠি পাঠানো হয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্ট বিভাগ, জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার, পরিবেশ অধিদপ্তর, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে।


    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় কস্তুরাঘাট নদীবন্দরের সীমানাধীন বাঁকখালী নদী ও তীরভূমিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নদী ও তীরভূমির প্রায় ৬৩ একর জায়গা উদ্ধার করা হয় এবং ৪৯৬টি কাঁচা-পাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।


    উচ্ছেদের পর নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণে সহকারী কমিশনার (ভূমি), কক্সবাজারের নেতৃত্বে যৌথ জরিপ পরিচালিত হয়। সীমানা পিলার স্থাপনের সময় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিআইডব্লিউটিএ তিনটি এবং পুলিশ একটি মামলা দায়ের করে। এসব মামলায় ৪০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় ১ হাজার ৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।


    তবে চলমান মামলার পরও একই স্থানে ফের ঘর নির্মাণ শুরু হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিআইডব্লিউটিএর দাবি, আগে যাদের উচ্ছেদ করা হয়েছিল, তারাই আবার দখলে জড়িত।


    পোর্ট অফিসার মো. আব্দুল ওয়াকিল বলেন, “উচ্ছেদ হওয়া জমিতে আবার দখল কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দখল বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”


    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের রাত থেকেই একটি প্রভাবশালী চক্র দ্রুত ঘর নির্মাণ শুরু করে। পরিবেশকর্মীদের আশঙ্কা, নদীর তীরের গুরুত্বপূর্ণ এই জায়গা আবার দখল হয়ে গেলে ভবিষ্যতে পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা কঠিন হবে।


    নদী রক্ষা ও বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত সমন্বিত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো নতুন কোনো উচ্ছেদ অভিযানের ঘোষণা আসেনি।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…