এইমাত্র
  • নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা চালানো হচ্ছে : মির্জা ফখরুল
  • উত্তরবঙ্গকে সৎ ভাই করে রাখা হয়েছে: জামায়াত আমির
  • ২৪ ঘণ্টা গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে যেসব এলাকায়
  • বিপিএলের পর্দা নামছে আজ, শেষ হাসি হাসবে কারা?
  • সিদ্ধিরগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি দোকান পুড়ে ছাই
  • লক্ষ্মীপুরে বিদেশী অস্ত্রসহ যুবক গ্রেফতার
  • ‎খাগড়াছড়িতে পৈত্রিক সম্পত্তি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ
  • কিশোরগঞ্জে পেট্রোল পাম্পে আগুন, দগ্ধ ৪
  • টঙ্গীতে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদক ও বিস্ফোরকসহ আটক ৩৫
  • শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার
  • আজ শুক্রবার, ১০ মাঘ, ১৪৩২ | ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ডলারের মান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:৩৬ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:৩৬ পিএম

    তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ডলারের মান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:৩৬ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত মার্কিন ডলার। বিশ্ব বাজারে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়ে থাকে এই মুদ্রাটির মাধ্যমে। কিন্তু, বিভিন্ন দেশের ওপর শুল্ক আরোপের জেরে টালমাটাল বৈশ্বিক বাজারে ইতিহাসের অন্যতম বড় দরপতনের মুখোমুখি মুদ্রাটি। করোনাকালের পর গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে মার্কিন ডলারের মান।

    যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের সূচক (ডিএক্সওয়াই) ও মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১১ এপ্রিল) তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গেছে মার্কিন ডলারের মান। সাধারণত, এই মুদ্রার মানের ওপরই নির্ভর করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মান।

    মার্কিন ডলারের সূচকে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ডলারের মূল্য কমে ৯৯ দশমিক ০১-এ দাঁড়িয়েছে। যা এক বছরের মধ্যে ডলারের মানের প্রায় ৮ শতাংশ পতনের রেকর্ড।

    ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর ডলারের মানের বেশি পতন ঘটেছে। ওই দিন বিশ্বের কয়েক ডজন দেশের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন আমদানি শুল্ক আরোপ করেন তিনি।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিতে উচ্চ শুল্ক আরোপের পর বৈশ্বিক বাজার ব্যবস্থায় ব্যাপক টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হয়। আমেরিকা, ইউরোপ, এশিয়ার শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস শুরু হয়। যদিও পরবর্তীতে চীন ছাড়া বাকি সব দেশের ওপর আরোপিত এই শুল্ক আগামী তিন মাসের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।

    বিদেশি মুদ্রার লেনদেন হয় আলাদা দুটি দেশের মুদ্রায়। উদাহরণস্বরূপ, অস্ট্রেলিয়ান ডলার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডলার ক্রয়। যার ফলে এক দেশের মুদ্রার মান আরেক দেশের মুদ্রার মানের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। যা ‘এক্সচেঞ্জ রেট’ নামে পরিচিত।

    বিশ্বের বেশিরভাগ মুদ্রার মানই ওঠানামা করে। যার অর্থ চাহিদা এবং সরবরাহ অনুযায়ী দাম পরিবর্তন হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম যুক্তরাষ্ট্রের ডলার, যা একটি নির্দিষ্ট দামে নির্ধারিত। ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত মার্কিন ডলারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ডলারের মানও নির্দিষ্ট করা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেটি বাতিল করা হয়।

    এখন চাহিদা ও সরবরাহ অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মূল্যও ওঠানামা করে। মুদ্রা শক্তিশালী হয় বিভিন্ন কারণে। যার মধ্যে অন্যতম হলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, পণ্যের চাহিদা ইত্যাদি। 

    এইচএ

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…