এইমাত্র
  • সবুজ পাতায় স্বপ্নের ফসল, রায়পুরে পান চাষে সাফল্যের জোয়ার
  • দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে, নেমেছে ৮ ডিগ্রিতে
  • রাজনীতিতে আসছেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান?
  • সবজি-মুরগির দামে স্বস্তি, চড়া মাছের বাজার
  • সম্পদের হিসেবে জোনায়েদ সাকির চেয়ে এগিয়ে তার স্ত্রী
  • বাকৃবি শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়‌দের হামলা, আহত ৫
  • পঞ্চগড়ে কোটি টাকার বীজ আলু পচে নষ্ট, দায় কার?
  • বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাচ্ছেন তারেক রহমান
  • নতুন বছরে ভারতগামী যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ফি
  • জার্মানিতে নববর্ষ উদযাপনে বহু হতাহত, গ্রেফতার ৪০০
  • আজ শুক্রবার, ১৯ পৌষ, ১৪৩২ | ২ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    সৌদিতে নিহত প্রবাসী মালেকের মরদেহ ফিরলো দেশে, শোকের মাতম

    মোস্তাফিজুর রহমান, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম
    মোস্তাফিজুর রহমান, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম

    সৌদিতে নিহত প্রবাসী মালেকের মরদেহ ফিরলো দেশে, শোকের মাতম

    মোস্তাফিজুর রহমান, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম

    অভাবের সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন নিয়ে ঋণ করে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন নাজমুল হক মালেক। পরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়ে দেশে ফিরলেন লাশ হয়ে।

    নিহত নাজমুল হক মালেক বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের পারসাওতা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। প্রায় এক বছর দুই মাস আগে ধারদেনা করে দালালের মাধ্যমে সৌদি আরবে যান।

    পরিবার সূত্র জানায়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর সৌদি আরবে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান মালেক। ওই রাতেই পরিবারের কাছে তাঁর মৃত্যুর খবর পৌঁছে। মৃত্যুর পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আইনি জটিলতার কারণে প্রায় ১৩ দিন সৌদি আরবের একটি হাসপাতালের মর্গে মরদেহটি সংরক্ষিত ছিল।

    দীর্ঘ অপেক্ষা ও উৎকণ্ঠার পর দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় ১৫ দিন পর ১ জানুয়ারি মালেকের মরদেহ দেশে পাঠানো হয়। রাতে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ। পরদিন ২ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।

    নিহতের স্ত্রী সিমা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সে বলেছিল বিদেশে গিয়ে আমাদের ভালো রাখবে। এখন আমি কী নিয়ে বাঁচবো?

    ছেলের লাশের পাশে বসে বারবার জ্ঞান হারাছিলেন মালেকের মা। প্রতিবেশীরা তাঁকে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

    স্থানীয়রা জানান, মালেকের মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে। বিদেশ যাওয়ার জন্য নেওয়া ঋণের বোঝা এখনও পরিবারের কাঁধে রয়ে গেছে।

    এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিহত মালেকের পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…