বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ভার থেকে মুক্ত হয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠকে এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।
রাত সাড়ে ৯টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজকের বৈঠকটি নির্ধারিত শিডিউলের বৈঠক নয়। তাই নির্দিষ্ট এজেন্ডাও থাকছে না। তবে এটি অবশ্যই গুরত্বপূর্ণ। কারণ, এ বৈঠকেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিএনপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হতে পারে।
আগামী কাউন্সিলে স্থায়ী কমিটির বৈঠকের এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন হবে।
এই বৈঠকটি গত সোমবার হওয়ার কথা ছিল। তবে অনিবার্যকারণবশত সেটি তখন স্থগিত করা হয়েছিল।
এরআগে, ৪ জানুয়ারি সিলেটে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছিলেন, দু’একদিনের মধ্যেই তারেক রহমানকে বিএনপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হবে।
বিএনপির চেয়ারপারসনের দায়িত্বে ছিলেন সদ্য প্রয়াত সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সালের ১০ মে থেকে গত ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ দায়িত্বে ছিলেন বেগম জিয়া। তার প্রয়াণের মধ্য দিয়ে দলটির সর্বোচ্চ পদে এ শূন্যতা সৃষ্টি হয়।
বেগম খালেদা জিয়া ২০১৮ সালে কারাগারে বন্দি হওয়ার পর তারেক রহমানকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়। বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, তারেক রহমান স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন। যদিও দলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
বিএনপির দলীয় গঠনতন্ত্রের ৭-এর ‘গ’ ধারায় (৩) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্ব প্রসঙ্গে বলা আছে ‘যেকোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান চেয়ারম্যানের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে বহাল থাকবেন।’
এইচএ