নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল। এ নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে অনুরোধ করেছে তাদের ম্যাচের ভেন্যু সরাতে। বিসিবি এখন আইসিসির জবাবের অপেক্ষায়।
এদিকে বাংলাদেশই প্রথম আইসিসি ইভেন্টের কোনো নির্ধারিত ভেন্যুতে খেলতে অস্বীকৃতি জানায়নি। এর আগে এমন দৃষ্টান্ত খোদ ভারত স্থাপন করেছে। তালিকায় আরও রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। গত বছর মার্চে ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্বাগতিক দেশ ছিল পাকিস্তান। কিন্তু বৈরী রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে পাকিস্তানে গিয়ে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। ফলে ভারতের সব ম্যাচ সরিয়ে নেওয়া হয় দুবাইয়ে।
২০০৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে জিম্বাবুয়েতে যায়নি ইংল্যান্ড এবং কেনিয়ায় নিউজিল্যান্ড। ওই বিশ্বকাপের তিন আয়োজক দেশ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়া। ইংল্যান্ডের আপত্তির কারণ ছিল সেসময়ের জিম্বাবুয়ের রবার্ট মুগাবের সরকারের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের নেতৃত্বাধীন সরকারের কঠোর অবস্থান। আর নিউজিল্যান্ড নাইরোবিতে গিয়ে খেলতে চায়নি নিরাপত্তা ইস্যুতে। উদাহরণ আরও আছে। ইংল্যান্ডের সঙ্গে বৈরী রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে।
তাদের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হয়। তবে জিম্বাবুয়ে না খেললেও বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার শতভাগ ফি পায়। ১৯৯৬ ওয়ানডে বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করেছিল শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও ভারত। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ শ্রীলংকায় গিয়ে খেলতে রাজি হয়নি। দ্বীপদেশটিতে গৃহযুদ্ধ এবং টুর্নামেন্টের আগে বোমা বিস্ফোরণের কারণে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ বেঁকে বসে।
এবি