চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বর্ধিত সভা করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিএনপি প্রার্থী স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য দেন।
জানা গেছে, সভায় মঞ্চ, মাইক, ব্যানার ও দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা হয়। বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ সভার ব্যানারে প্রার্থীর পরিচয় ও নির্বাচনী প্রতীক স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, যা নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের মতে সরাসরি নির্বাচনী প্রচারণার আওতায় পড়ে।
নির্বাচন কমিশন প্রণীত ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ২৭(ক), ২৭(গ) ও ২৭(ঘ) অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণার পূর্বে রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট পরিকল্পনা জমা দিতে হয়।
জনসভার দিন, সময় ও স্থানের জন্য লিখিত অনুমতি প্রয়োজন এবং কপিটি স্থানীয় নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হয়।
প্রস্তাবিত সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে স্থান ও সময় স্থানীয় পুলিশকে জানাতে হয়, যাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
তবে অভিযোগ আছে, এই সব নিয়ম বিএনপি প্রার্থী মেনে চলেননি।
এ সব বিষয়ে জানতে নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের মুঠোফোন কথা হলে তিনি বলেন, ‘এটি দলীয় বর্ধিত সভা ছিলো, নির্বাচনী বর্ধিত সভা নয়। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আমরা প্রচার করি নাই। বর্ধিত সভায় দলের সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীকে একত্রিত করে মিটিং করতে হয়, এতে সবাই আসলে লোকজন তো বাড়বেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মিটিং করলে সেটা অপরাধের মধ্যে পড়ে। নেতাকর্মী নিয়ে বর্ধিত সভা, এটি দলীয় বিষয় প্রার্থীর বিষয় না।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাচনী সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সোমাইয়া আক্তারের সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
ইখা