জামায়াত-এনসিপি জোট নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই এনসিপি জোট কত আসনে নির্বাচন করবে, তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চিফ ইলেকশন অবজারভার আইভার্স ইজাবসের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমান নির্বাচনী সুযোগ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থার ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও প্রটোকল দেওয়ার কারণে প্রশাসনে পক্ষপাতের বার্তা যাচ্ছে। এতে নির্বাচনী মাঠে অসম পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি বা এনসিপিকে নিয়ে মেইন স্ট্রিম মিডিয়াতে নানা ধরনের নেতিবাচক নিউজ বা ফলস নিউজ হচ্ছে। বিশেষত কয়েকটি মিডিয়াতে এটি টার্গেটভাবে করা হচ্ছে। আমাদের যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রশাসনিকভাবে বা মিডিয়ার জায়গা থেকে সেই সুযোগ-সুবিধাটা কিন্তু সমভাবে যাতে হয়, সেটা আমাদের চাওয়া থাকবে। সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে কিন্তু বারবার আমরা এটা বলেছি।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, অনেক ঋণখেলাপি প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংখ্যা আরও বেশি হওয়া সত্ত্বেও অল্প কয়েকজনকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের কঠোর অবস্থান দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে। ইইউ চায় নির্বাচন সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক ও গ্রহণযোগ্য হোক, যাতে ফল ঘোষণার পর গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর নির্বিঘ্ন হয়। এ জন্য সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা চেয়েছে সংস্থাটি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় নির্বাচনী মাঠে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। হত্যাকারীরা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতা রয়ে গেছে।
এমআর-২