এইমাত্র
  • ইসলামী আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়েই আসন ঘোষণার আশা মামুনুল হকের
  • রংপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার
  • নাজমুলকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিচ্ছে বিসিবি
  • সংসদ নির্বাচনে আ.লীগের অংশগ্রহণ করার সুযোগ নেই: উপদেষ্টা রিজওয়ানা
  • সাবিনার জোড়া গোলে উড়ে গেল ভারত
  • ঝালকাঠিতে সিগারেট ডিলারের দেড় লাখ টাকা ছিনতাই
  • ফটিকছড়িতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৮ নেতাকর্মীর ছাত্রদলে যোগদান
  • মিরসরাইয়ে ট্রেনের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু
  • স্বামীর অভিযোগে প্রার্থীতা হারালেন স্ত্রী
  • ভূঞাপুরে দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২ মাঘ, ১৪৩২ | ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
    শিক্ষাঙ্গন

    ভূঞাপুরে দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

    তৌফিকুর রহমান, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:১০ পিএম
    তৌফিকুর রহমান, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:১০ পিএম

    ভূঞাপুরে দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

    তৌফিকুর রহমান, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:১০ পিএম

    টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণে সরকার নির্ধারিত ফি’র চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চর গাবসারা দাখিল মাদরাসার সুপার আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৫৪ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা।

    জানা গেছে, চলতি বছর ওই মাদরাসা থেকে মোট ৫৪ জন শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে নিয়মিত ৩২ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ফরম পূরণ বাবদ জনপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ৬৮৫ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    সরকার নির্ধারিত ফি অনুযায়ী দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণে মোট ২ হাজার ৩৬০ টাকা নেওয়ার কথা। এর মধ্যে বোর্ড ফি ১ হাজার ৯২৫ টাকা, কেন্দ্র ফি ৪১০ টাকা এবং আইসিটি বিষয়ের ফি ২৫ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।

    অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

    শিক্ষার্থীরা জানান, নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে সব ৫৪ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকেই উল্লিখিত অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে টাকা নেওয়ার সময় কোনো রশিদ দেওয়া হয়নি। পরে সবাইকে একসঙ্গে রশিদ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

    পরীক্ষার্থী মাহমুদা সুলতানার বাবা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা খুবই গরিব মানুষ। মেয়ের পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ৩ হাজার ৫০০ টাকা ধার্য করেছে। আমি সেই টাকা দিয়েছি। সরকার নির্ধারিত ফি’র চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু প্রতিবাদ করার কেউ নেই।’

    এ বিষয়ে মাদরাসার সুপার আব্দুর রউফ অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, ‘৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার অনুমোদন রয়েছে। যাতায়াত ও অ্যাডমিট কার্ড সংক্রান্ত খরচের জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে।’

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসান বলেন, ‘সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত এক টাকাও নেওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…