এইমাত্র
  • আবারও ভূমিকম্পে কাঁপলো দেশ
  • মহাত্মা গান্ধীর ৪২৬ কেজি ওজনের ভাস্কর্য চুরি
  • এবার পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা
  • উত্তেজনার মধ্যেই লোহিত সাগরে মার্কিন-ইসরায়েলের মহড়া
  • প্যারিসে মাস্কের এক্স কার্যালয়ে তল্লাশি
  • প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে: দ্য ইকোনমিস্ট
  • ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে জড়িত ১৩৯ বিদেশি গ্রেপ্তার
  • কারাবন্দি সাফিকুরের নিয়োগ বাতিল, বিমানের নতুন এমডি হুমায়রা
  • ৩৫০০ প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল কুয়েত
  • নির্বাচন ও গণভোটে প্রস্তুতির কথা জানালেন সেনাপ্রধান
  • আজ মঙ্গলবার, ২০ মাঘ, ১৪৩২ | ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    নওগাঁয় জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ১০

    আব্দুল মান্নান, নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
    আব্দুল মান্নান, নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম

    নওগাঁয় জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ১০

    আব্দুল মান্নান, নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম

    নওগাঁয় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নওগাঁ সদর উপজেলার মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সংঘর্ষে আহত হয়ে জামায়াতের ৪ জন এবং বিএনপির একজন কর্মী নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বাকিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

    হাসপাতালে ভর্তি জামায়াতের আহত কর্মীরা হলেন—হাসাইগাড়ী ইউনিয়নের কাটখইড় গ্রামের মো. হাসান প্রামাণিক (৩৮), জাহিদ হাসান (২৫), মোস্তাফিজুর (৫৮) এবং চকরামপুর গ্রামের রুস্তম আলী (৪০)। অন্যদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি কর্মীর নাম রাকিব হাসান (২০)। তার বাড়ি হাসাইগাড়ী ইউনিয়নের গোপাই গ্রামে।

    স্থানীয় ও নেতাকর্মী সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আ স ম সায়েম হাসাইগাড়ী ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে যান। সেখানে জামায়াত কর্মী শহীদ মোল্লার বাড়িতে দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রচারণা শেষে প্রার্থী ও সমর্থকরা সেখানে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় গোপাই গ্রামের কয়েকজন বিএনপি কর্মী ওই খাবারের ভিডিও ধারণ করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। ঘটনার পর বিএনপি নেতাকর্মীরা জামায়াত কর্মীদের একটি বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

    আহত বিএনপি কর্মী রাকিব হাসান অভিযোগ করেন, জামায়াত কর্মীরা রান্নার আয়োজন করলে তারা ভিডিও করতে যান। এতে বাধা দিয়ে জামায়াতের ৫০-৬০ জন কর্মী তাদের ওপর হামলা চালায়। তিনি আরও দাবি করেন, কয়েক দিন আগে বিএনপির প্রার্থীর আগমনে খাবারের আয়োজন করা হলে জামায়াত নেতারা তাতে বাধা দিয়েছিলেন।

    অন্যদিকে, আহত জামায়াত কর্মী হাসান প্রামাণিক দাবি করেন, সেখানে কোনো খাবারের আয়োজন ছিল না। বহিরাগতরা ভিডিও করে পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করে। পুলিশ আসার পর বিএনপির কর্মীরা পুলিশের লাঠি কেড়ে নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

    নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম বলেন, “গণসংযোগ শেষে প্রার্থী সায়েম ভাই বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা চালায়।”

    নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন। বরং জামায়াতের লোকজন হামলা করে আমাদের কর্মীদের আহত করেছে এবং মোবাইল ভাঙচুর করেছে। কয়েক দিন আগে আমাদের প্রার্থীর খাবারের আয়োজন জামায়াতের অভিযোগের কারণে ম্যাজিস্ট্রেট এসে পণ্ড করে দিয়েছিলেন। আজ তারা নিজেরা আয়োজন করলে আমাদের ছেলেরা ভিডিও করতে গেলে তাদের মারধর করা হয়।”

    নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়ামুল হক জানান, পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগটি সঠিক নয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি; অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এনআই

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…