এইমাত্র
  • নির্বাচনী প্রচারে হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো সালাহউদ্দিন
  • সিরাজগঞ্জে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের দুই কর্মীকে জরিমানা
  • সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নিহত, আহত ২
  • লক্ষ্মীপুরে বিএনপির দেড় শতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান
  • লক্ষ্মীপুরে ৯০০ ভোটারের জন্য খাবার প্রস্তুত: বিএনপি নেতাকে জরিমানা
  • ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থায় নতুন নিয়ম
  • জবিতে কয়েক দফা সংঘর্ষে আহত ৩০
  • গাজীপুরে ‘সার্টিফিকেটের’ নামে অটোরিকশা মালিকদের কাছ থেকে আদায় লাখো টাকা
  • নারীদের হেনস্তার প্রতিবাদে বগুড়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ
  • বগুড়ায় গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২২ মাঘ, ১৪৩২ | ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    শিক্ষাঙ্গন

    নির্বাচনের আগে হাবিপ্রবিতে ভর্তির তড়িঘড়ি, ভোগান্তির আশঙ্কা

    তালহা হাসান, হাবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
    তালহা হাসান, হাবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

    নির্বাচনের আগে হাবিপ্রবিতে ভর্তির তড়িঘড়ি, ভোগান্তির আশঙ্কা

    তালহা হাসান, হাবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম মেধা তালিকা থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম নির্ধারিত হয়েছে ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি, অথচ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।  

    চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন দূরবর্তী অঞ্চল থেকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের দিনাজপুরে আসতে হবে। অভিভাবকরা আশঙ্কা করছেন, নির্বাচনের আগে যাতায়াত ও নিরাপত্তাজনিত কারণে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। বিশেষ করে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে দূরপাল্লার যান চলাচল সীমিত করার সিদ্ধান্ত এবং নির্বাচনী সভা, মিটিং-মিছিলের কারণে ভর্তি কার্যক্রমে অংশ নিতে শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়তে পারেন।  

    ভর্তি কমিটি সূত্রে জানা যায়, তারা নির্বাচনের পর ভর্তি কার্যক্রম আয়োজনের সুপারিশ করেছিলেন। তবে উপাচার্য প্রফেসর ড. এনামউল্যা সেই প্রস্তাব গ্রহণ না করে একক সিদ্ধান্তে ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেন।  

    উপাচার্যের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বর্তমানে বিমানে অবস্থান করছেন এবং কথা বলতে পারবেন না বলে ফোন কেটে দেন।  

    অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, ভর্তি কার্যক্রম নির্বাচনের পর নির্ধারণ করলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও অংশগ্রহণ আরও নির্বিঘ্ন হতো। 

    একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনকালীন ছুটির কোনো নোটিশ না দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা নির্বাচনের আমেজ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।  

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না করলেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা দ্রুত সমাধান প্রত্যাশা করছেন।  

    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…