বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে পাচার রোধে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাচারের আশঙ্কা থেকে সীমান্তে জনবল বৃদ্ধি, টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম ব্যাপক জোরদার করা হয়েছে।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়ন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে। এর আওতায় দর্শনা আইসিপিসহ জেলার অধীনস্থ সব সীমান্ত পয়েন্টে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় টহল কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা তৎপরতা।
বিজিবি জানায়, অসাধু চক্র যাতে দেশে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে কিংবা অধিক মুনাফার আশায় জ্বালানি তেল পাচারের অপচেষ্টা চালাতে না পারে, সে জন্য গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব রুট দিয়ে অতীতে ডিজেল ও পেট্রোল পাচারের চেষ্টা হয়েছিল, সেসব পয়েন্টে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। দর্শনা আইসিপি গেট দিয়ে ভারতে প্রবেশকারী দেশীয় ও ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকগুলোতেও কড়া তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, “জ্বালানি তেল পাচার রোধে আমরা সীমান্তে জনবল বৃদ্ধিসহ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছি। সন্দেহভাজন পরিবহন ও চলাচলে কঠোর নজর রাখা হচ্ছে। কোনোভাবেই যেন সীমান্ত পথে দেশের জ্বালানি সম্পদ পাচার হতে না পারে, সে বিষয়ে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।”
তিনি আরও হুঁশিয়ারি প্রদান করেন যে, পাচারের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এনআই