এইমাত্র
  • কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস বন্ধ ঘোষণা
  • প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বিলবোর্ড-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ
  • দেশে কতদিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে, জানালেন বিপিসি চেয়ারম্যান
  • ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের
  • মসজিদুল হারামে মুসল্লিদের জন্য মোবাইল চার্জিং স্টেশন চালু
  • মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ঢাকায় আসছেন আজ
  • জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল
  • সংঘাত বন্ধের আহ্বান ইইউ প্রধান ও চীনের
  • ইরানের হামলায় বাহরাইনে মার্কিন বিমান ঘাঁটি ধ্বংস
  • ঢাকা থেকে ৪ দিনে ১৩১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
  • আজ মঙ্গলবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৩ মার্চ, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    আমতলীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ বিক্রি করার অভিযোগ 

    মো. ইমরান হোসাইন, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:২৬ পিএম
    মো. ইমরান হোসাইন, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:২৬ পিএম

    আমতলীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ বিক্রি করার অভিযোগ 

    মো. ইমরান হোসাইন, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:২৬ পিএম

    বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ মোঃ জসিম উদ্দিন ও আমিনুল ইসলাম নামের দুই ভাই বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড এতে বাঁধা দিলেও তারা তা আমলে নেয়নি। এমন অর্ভিযোগ স্থানীয়দের। জসিম উদ্দিন কুকুয়াহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। ঘটনা ঘটেছে সোমবার আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুতুবপুর মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় ।


    জানাগেছে, আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া গ্রামের ১৯৬৫ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করে। ওই বাঁধের রিভার ও কাইন্টি সাইটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২০০ ফুট জমি রয়েছে। ওই জমিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০০০ সালে মেহগনি, চাম্বল ও শিশুসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন করে। ৫০টির অধিক গাছ কুকুয়াহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জসিম উদ্দিন ও তার ভাই আমিনুল ইসলাম ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। স্থানীয় গাছ ব্যবসায়ী বেল্লাল মিয়া ওই গাছ ক্রয় করেছেন। তিনি গত তিনদিন ধরে ওই গাছ কেটে নিচ্ছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন জসিম উদ্দিন ও আমিনুল ইসলাম বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ বেল্লাল বেপারীর কাছে বিক্রি করেছেন। 


    বুধবার (২৬ নভেম্বর) সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, কাটা গাছ স্তুপ আকারে রাখা হয়েছে। বেলাল মিয়া গাছ নিয়ে যাচ্ছেন। 


    ব্যবসায়ী বেল্লাল মিয়া বলেন, জসিম মাষ্টার ও তার ভাই আমিনুল ইসলাম আমার কাছে ৮৫ হাজার টাকায় গাছ বিক্রি করেছেন। তাই আমি গাছ কাটতেছি। ওই গাছ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিনা তা আমার জানা নেই? 

    কুকুয়াহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, আমার রেকর্ডীয় জমিতে রোপনকৃত গাছ বিক্রি করেছি। 


    এখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোন গাছ নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যসহকারী মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির গাছ জসিম ও তার ভাই বিক্রি করে দিয়েছেন। ওই গাছ বেল্লাল নামের একজন কেটে নিচ্ছেন। বাঁধা দিলেও তিনি মানেননি।  


    বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আজিজুর রহমান সুজন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে রোপনকৃত গাছ কাটা হয়েছে।   


    বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হান্নান প্রধান বলেন, বাঁধের গাছ কেটে নেয়ার কোন সুযোগ নেই। খোজ খবর নিয়ে  যারা গাছ কেটেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…