রাজশাহীর পুঠিয়ায় সরকারি কম্বল দেওয়া বিতরণকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে স্থানীয় বিএনপির ১৩ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১০ জন গুরুত্বর আহত হয়ে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার ধোপাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ফারুক নাজ বেগমকে এলাকার শীতার্ত মানুষের মাঝে ১৮টি সরকারি কম্বল বিতরণ করার দায়িত্ব প্রদান করেন জিউপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক ও পুঠিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার। ফারুক নাজ বেগম স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের নিকট কম্বল বিতরণের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
এই কম্বল দেওয়া নেওয়াকে কেন্দ্র করে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিএনপির দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির দুই পক্ষে বেশকিছু নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
সংঘর্ষে আহত জিউপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য আনসার আলী সুস্থ হয়ে ১৩ জন বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আনসার আলী বলেন, ‘মামলা করার পর হতে আসামীরা আমাকে প্রকাশ্যে মারধরের হুমকি দিচ্ছেন। আমি এবং আমার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতার মাঝে রয়েছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি, উপজেলা এবং পৌরসভার একাধিক বিএনপির নেতারা আসামীদের গ্রেফতার না করার জন্য থানা পুলিশকে বলেছেন। তাই আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘কম্বল বিতরণকে কেন্দ্র করে ধোপাপাড়া এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামীদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।’
এসএম