চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে ঋণখেলাপির দায়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রার্থী এম. এয়াকুব আলীসহ চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অপরদিকে সব কাগজপত্র সঠিক থাকায় বিএনপির এনামুল হক এনাম ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফরিদুল সহ মোট সাতজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনের ১১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। যাচাই শেষে রিটার্নিং অফিসার ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া এ সিদ্ধান্ত জানান।
বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির এনামুল হক এনাম, জামায়াতে ইসলামীর ডা. ফরিদুল আলম, গণঅধিকার পরিষদের ডা. এমদাদুল হাসান, ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মো. পেয়ারু, ইসলামী আন্দোলনের এসএম বেলাল নুর, ইনসানিয়াত বিপ্লবের আবু তালেব হেলালী এবং জাতীয় পার্টির (এরশাদ) ফরিদ আহমদ চৌধুরী।
অন্যদিকে ঋণখেলাপির কারণে এলডিপির প্রার্থী এম. এয়াকুব আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এছাড়া দলীয় মনোনয়নপত্রের সত্যতা যাচাই না হওয়ায় জাতীয় পার্টি (জেপি) প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলামের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাখাওয়াত হোসাইন এবং কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা সৈয়দ সাদাত আহমদের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়। এ সময় তাদের দুজনকে সতর্কও করেন রিটার্নিং অফিসার।
তবে সৈয়দ সাদাত আহমদের প্রতিনিধি মো. সাখাওয়াত জানান, এর আগেই তারা বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন জমা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে পটিয়া আসনে মোট ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৪ জনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অবৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা চাইলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।
আরডি