ভোলার বোরহানউদ্দিনে মধ্যরাতে দূর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে ছাই হলো ৬শ হাঁস মুরগীসহ একটি খামার। এতে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ওই খামারি।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের ছাগলা গ্রামের বাসিন্দা হারুন গোলদারের খামারে এ ঘটনায় ঘটে।
ঘটনার পর বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
হারুন গোলদার ওই গ্রামের সাইফুল্লা গোলদারের ছেলে এবং কতুবা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষকদলের সভাপতি।
খামারী হারুন গোলদার বলেন, ‘প্রতিদিনের মত গতকাল (সোমবার) রাতে খামার দেখাশোনা শেষে ঘুমাতে যান তিনি। হঠাৎ রাতে হাঁস মুরগীর চেচামেচির শব্দ শুনে ঘুম ভাঙলে খামারে আগুন দেখতে পান। পরে তিনি ডাক চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু ততক্ষণে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে খামারসহ প্রায় ৬শ হাঁস-মুরগি।
তিনি আরও বলেন, খামারে প্রায় ৪শ দেশী মুরগীর বাচ্চা ও ২শ হাঁস ছিলো। দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে গেছে। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে হারুন গোলদার বলেন, ‘হাঁস মুরগীর সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা ‘ এ সময় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে দূর্বৃত্তদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
প্রতিবেশীরা জানান, হারুন গোলদার অনেক ভালো মানুষ। তার সঙ্গে এলাকার কারো শত্রুতা নেই। খামারে আগুন দিয়ে তার আয় রোজগারের বন্ধ করে দিলো দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের প্রতি জোড় অনুরোধ জানান তারা।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘খামারে আগুন দেওয়ার ঘটনায় পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো পযন্ত লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
ইখা