নওগাঁর মহাদেবপুরে আবুল কালাম আজাদ স্বপন ও দুলাল হোসেন নামে বিএনপির দুই নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ধানের শীষের বিরুদ্ধে গিয়ে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাদের বহিষ্কার করা হয়।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপনের দলীয় প্যাডে স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি জানা যায়।
সাময়িক বহিস্কৃত আবুল কালাম আজাদ স্বপন মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক আর দুলাল হোসেন যুগ্ম সম্পাদক।
সাময়িক বহিষ্কারাদেশে বলা হয়, মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীল পদে থাকা সত্ত্বেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতিক প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধচারণে লিপ্ত রয়েছেন। তাই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী কর্মকাণ্ডের জন্য আপনার দলীয় পদ মর্যাদা দল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হলো। সেই সঙ্গে তাদেরকে দলীয় সব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হয়। একইসাথে জেলা বিএনপির সকল নেতাকর্মী এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে তাদের সঙ্গে দলীয় কোনো প্রকার যোগাযোগ না রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে সেই বহিষ্কারের চিঠিতে।
সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি মঙ্গলবার (৬জানুয়ারি) দুপুরে মুঠোফোনে নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন।
জানতে চাইলে এদিন বিকেলে সাময়িক বহিষ্কৃত দুলাল হোসেন মুঠোফোনে বলেন, এখনও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন শুরু হয়নি। আগামী ২০ তারিখের পর শুরু হবে। তার আগেই কিভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে এটা আমার বোধগম্য নয়। আমরা ধানের শীষের লোক, ধানের শীষের পক্ষেই কাজ করবো। এছাড়া বিএনপি বৃহৎ দল হওয়ায় সারা বাংলাদেশে একাধিক প্রার্থী ছিল। একেকজন তাদের পছন্দের নেতাকে সমর্থন দিয়েছিল।
একইভাবে ধানের শীষের বিরুদ্ধে যাওয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে সাময়িক বহিষ্কৃত আবুল কালাম আজাদ স্বপন মুঠোফোনে বলেন, এই আসনে তিনটা প্রার্থী থাকার কারণে আমি এক জনের পক্ষে ছিলাম। আর আগামী ২০ তারিখ থেকে প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে। আমি কখনও ধাণের শীষের বিরুদ্ধে যাইনি। কখনও ধাণের শীষের বিরুদ্ধে কাজ করতে চাই না। অবশ্যই ধানের শীষের পক্ষেই কাজ করবো। এছাড়া বহিষ্কারের নোটিশ এখনও পাইনি।
ইখা