এইমাত্র
  • শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির প্যানেলের জয়
  • ৪৮৯ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে
  • রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা
  • সিআইএর ‘ডাবল এজেন্ট’ অলড্রিখ এইমসের মৃত্যু
  • দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্ববৃহৎ ব্লাকআউট থেকে ফিরেছে বার্লিন
  • নিজেদের নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়তে বলছে অস্ট্রেলিয়া
  • ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে ইরানের সেনাপ্রধানের কঠোর হুঁশিয়ারি
  • পিএসএলে নিবন্ধন করলেন মুস্তাফিজসহ ১০ বাংলাদেশি
  • হলফনামা ও রিটার্নের তথ্যে গরমিলকে ‘টাইপিং মিসটেক’ বললেন সারজিস
  • যুক্তরাষ্ট্রের তাড়া করা ট্যাংকারের সুরক্ষায় সাবমেরিন পাঠালো রাশিয়া
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৪ পৌষ, ১৪৩২ | ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
    ধর্ম ও জীবন

    আল্লাহ তাআলার তরফ থেকে সেরা উপহার কন্যাসন্তান

    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম

    আল্লাহ তাআলার তরফ থেকে সেরা উপহার কন্যাসন্তান

    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম

    আল্লাহপাকের তরফ থেকে শ্রেষ্ঠ উপহার হলো কন্যাসন্তান । তারা মা-বাবার জন্য জান্নাতের দাওয়াতনামা নিয়ে দুনিয়ায় আসে।

    তাইতো পবিত্র কোরআনে কন্যাসন্তানের সংবাদকে ‘সুসংবাদ’ বলা হয়েছে। স্মর্তব্য যে, প্রকৃতপক্ষে সন্তান-সন্ততি (ছেলে-মেয়ে উভয়েই) আল্লাহ তায়ালার নেয়ামত ও শ্রেষ্ঠ উপহার।

    ইসলাম উভয়কেই আলাদা সম্মান ও মর্যাদা দিয়েছে। কাউকে কারও থেকে ছোট করা হয়নি কিংবা অবজ্ঞার চোখে দেখা হয়নি।

    কন্যাসন্তানের মাধ্যমে আল্লাহ পরিবারে সুখ ও বরকত দান করেন। হাদিসে এমন কথা উল্লেখ হয়েছে।

    কিন্তু আমাদের সমাজে এখনো অনেক পরিবারে কন্যাসন্তান জন্ম নিলে ইতিবাচক চোখে দেখা হয় না। অনেকে আবার কন্যাসন্তানের মায়ের ওপর নাখোশও হন। বিভিন্ন কায়দায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

    কন্যা সন্তান হলে অপছন্দ করা, তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা এবং তাদের লালন-পালনের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন না করা, ইসলামপূর্ব বর্বর জাহেলি যুগের কুপ্রথা। এমন কাজে আল্লাহ তাআলা ভীষণ অসন্তুষ্ট হন।

    আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘যখন তাদের কাউকে কন্যাসন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখ অন্ধকার হয়ে যায় এবং অসহ্য মনস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে। তাকে শোনানো সুসংবাদের দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে। সেভাবে, অপমান সহ্য করে তাকে থাকতে দেবে নাকি তাকে মাটির নিচে পুতে ফেলবে। শুনে রাখো, তাদের ফয়সালা খুবই নিকৃষ্ট। (সুরা আন-নাহল, আয়াত  ৫৮-৫৯)।

    রাসুল (সা.) মেয়েদের অনেক বেশি ভালোবাসতেন। মেয়েরা ছিল তার আদরের দুলালি। আজীবন তিনি কন্যাদের ভালোবেসেছেন এবং কন্যাসন্তান প্রতিপালনে অন্যদের উদ্বুদ্ধ করেছেন। কন্যাসন্তান লালন-পালনে অনেক উৎসাহ দিয়েছেন।

    আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে নবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দুটি কন্যাকে তারা সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত লালনপালন করবে, কিয়ামতের দিন আমি এবং সে এ দুটি আঙ্গুলের মতো পাশাপাশি আসবো (অতঃপর তিনি তার আঙ্গুলগুলো মিলিত করে দেখালেন)’। (মুসলিম, হাদিস নং ২৬৩১, তিরমিজি, হাদিস নং ১৯১৪, মুসনাদ আহমদ, হাদিস নং ১২০৮৯, ইবনু আবি শাইবা, হাদিস নং ২৫৯৪৮)

    হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলনে, রাসুল (সা.) ইরশাদ কারণে, ‘যার ঘরে কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করলো, অতঃপর সে ওই কন্যাকে কষ্ট দেয়নি, মেয়ের ওপর অসন্তুষ্টও হয়নি এবং পুত্রসন্তানকে তার ওপর প্রাধান্য দেয়নি, তাহলে ওই কন্যার কারণে আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতে প্রবেশে করাবেন। ’ (মুসনাদ আহমদ, হাদিস নং ১২২৩)।

    হযরত আবদুল্লাহ উমর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘ওই নারী বরকতময়ী ও সৌভাগ্যবান, যার প্রথম সন্তান মেয়ে হয়। কেননা, (সন্তানদের নেয়ামত বর্ণনা করার ক্ষেত্রে) আল্লাহ তায়ালা মেয়েকে আগে উল্লেখ করে বলেন, তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান দান করেন, আর যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন। ’ (কানযুল উম্মাল ১৬৬১১)। 

    আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আমার কাছে এক নারী এলো। তার সঙ্গে তার দুই মেয়ে। আমার কাছে সে কিছু প্রার্থনা করলো। সে আমার কাছে একটি খেজুর ছাড়া কিছুই দেখতে পেলো না। আমি তাকে সেটি দিয়ে দিলাম। সে তা গ্রহণ করলো এবং তা দুই টুকরো করে তার দুই মেয়ের মাঝে ভাগ করে দিলো। তা থেকে সে নিজে কিছুই খেলেন না। তারপর নারীটি ও তার মেয়ে দুটি উঠে পড়লো এবং চলে গেল। এই সুযোগে আমার কাছে নবী (সা.) এলেন। আমি তার কাছে ওই নারীর কথা বললাম। নবী (সা.) বললেন, ‘যাকে কন্যা দিয়ে কোনো কিছুর মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয় আর সে তাদের প্রতি যথাযথ আচরণ করে, তবে তা তার জন্য আগুন থেকে রক্ষাকারী হবে। ’ (মুসলিম, হাদিস নং  ৬৮৬২; মুসনাদ আহমদ, হাদিস নং  ২৪৬১৬)।

    এফএস

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…