এইমাত্র
  • যুদ্ধ বন্ধে আবুধাবিতে বৈঠকে ইউক্রেন-যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া
  • আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  • রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উপস্থাপন মিয়ানমারের, তীব্র প্রতিবাদ বাংলাদেশের
  • ঢাকার শীত নিয়ে যে তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস
  • মিয়ানমারে বিয়ে ও দোয়া মাহফিলে জান্তার বিমান হামলা, নিহত ২৭
  • যেকোনো আক্রমণকে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হবে: ট্রাম্পকে সতর্ক করে ইরান
  • রাশিয়ার হামলার কবলে ইউক্রেনের দুটি বড় শহর, আহত ১৩
  • কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ট্রাম্প
  • নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পথসভায় ডিম নিক্ষেপ, ফেলা হলো নোংরা পানি
  • শেখ হাসিনার শাসনামলে মানুষ একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি: প্রেস সচিব
  • আজ শনিবার, ১১ মাঘ, ১৪৩২ | ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    মুন্সিগঞ্জের তিনটি আসনে কোটিপতি প্রার্থী ৬, লাখপতি ১১ জন

    আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫২ এএম
    আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫২ এএম

    মুন্সিগঞ্জের তিনটি আসনে কোটিপতি প্রার্থী ৬, লাখপতি ১১ জন

    আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫২ এএম

    মুন্সিগঞ্জের ছয়টি উপজেলা নিয়ে গঠিত তিনটি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতসহ মোট ১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীদের মধ্যে কোটিপতি রয়েছেন ছয়জন এবং বাকি ১১ জন লাখপতি।

    সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী শিল্পপতি শেখ মো. আব্দুল্লাহ। তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪৪ কোটি টাকা। আর সবচেয়ে কম সম্পদ রয়েছে একই আসনের ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ দলের প্রার্থী রোকেয়া আক্তারের—প্রায় ৩ লাখ টাকা।

    নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে প্রার্থীদের সম্পদের এ চিত্র পাওয়া গেছে। জেলার তিনটি আসনের কোটিপতি প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির তিনজনই রয়েছেন। তারা হলেন—শেখ মো. আব্দুল্লাহ, আব্দুস সালাম আজাদ ও মো. কামরুজ্জামান রতন। অন্য তিন কোটিপতি প্রার্থী হলেন জাতীয় পার্টির আরিফুজ্জামান দিদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেএম বিল্লাল এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–এর মাজেদুল ইসলাম।

    মুন্সিগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান–শ্রীনগর)

    যাচাই-বাছাই শেষে তিনজনের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় এই আসনে বিএনপি, জামায়াত, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। জেলার ‘ভিআইপি আসন’ হিসেবে পরিচিত এই আসনের একমাত্র কোটিপতি প্রার্থী বিএনপির শেখ মো. আব্দুল্লাহ। আল-মুসলিম গ্রুপের কর্ণধার এই শিল্পপতির মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৪ কোটি ৫ লাখ ৫৫ হাজার ২৫৩ টাকা। এর মধ্যে স্থাবর সম্পদ ৩৪ কোটি ৭২ লাখ ৩২ হাজার ২৭৬ টাকা এবং অস্থাবর সম্পদ ৯ কোটি ৩৩ লাখ ২২ হাজার ৭৭৭ টাকা।

    এই আসনে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ দলের প্রার্থী রোকেয়া আক্তারের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ৯২ হাজার টাকা। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজীর সম্পদ ৩২ লাখ ২০ হাজার টাকা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আতিকুর রহমানের সম্পদের পরিমাণ ৩৭ লাখ ৪৩ হাজার ৫২০ টাকা।

    মুন্সিগঞ্জ-২ (টঙ্গীবাড়ি–লৌহজং)

    এই আসনে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন তিনজন। বিএনপির প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদের মোট সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি ৮ লাখ ৬০ হাজার ২২ টাকা। এর মধ্যে স্থাবর সম্পদ ১ কোটি ৭২ লাখ ৪০ হাজার ৯৩৪ টাকা এবং অস্থাবর সম্পদ ৩ কোটি ৩৬ লাখ ১৯ হাজার ২৯৮ টাকা।

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেএম বিল্লালের মোট সম্পদ ৭ কোটি ৯৬ লাখ ৯০ হাজার ২১০ টাকা। এর মধ্যে স্থাবর সম্পদ ৫ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং অস্থাবর সম্পদ ২ কোটি ৫৬ লাখ ৪০ হাজার ২১০ টাকা। এনসিপির প্রার্থী মাজেদুল ইসলামের মোট সম্পদ ১ কোটি ৪৬ লাখ ২২ হাজার ৩৬৬ টাকা।

    এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক এ বি এম ফজলুল করীমের সম্পদ ৭৯ লাখ ১ হাজার ৮৯৪ টাকা। ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আশিক মাহমুদের সম্পদ ১২ লাখ টাকা, খেলাফত মজলিসের আমিনুল ইসলামের ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং জাতীয় পার্টির নোমান মিয়ার সম্পদ ২৫ লাখ ২৯ হাজার ৯৭৪ টাকা।

    মুন্সিগঞ্জ-৩ (সদর–গজারিয়া)

    এই আসনে তিনজনের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় বর্তমানে ছয়জন প্রার্থী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন কোটিপতি। বিএনপির প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতনের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩৫৩ টাকা। এর মধ্যে স্থাবর সম্পদ ২৫ লাখ টাকা এবং অস্থাবর সম্পদ ১ কোটি ৬০ লাখ ৯৩ হাজার ৩৫৩ টাকা।

    জাতীয় পার্টির প্রার্থী এ এফ এম আরিফুজ্জামান দিদারের স্থাবর সম্পদ ২ কোটি টাকা এবং অস্থাবর সম্পদ ১৫ লাখ ৫ হাজার ৪৩১ টাকা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সুমন দেওয়ানের সম্পদ ৬০ লাখ টাকা, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনিছ মোল্লার ৩১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শেখ মো. শিমুলের ৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং খেলাফত মজলিস বাংলাদেশের হাজী আব্বাস কাজীর সম্পদের পরিমাণ ৬ লাখ টাকা।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…