জামালপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষায় ডিভাইস ব্যাবহার করায় ৫জনকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) বিকেলে ৫জন পরিক্ষার্থীকে ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়াও ব্যবহৃত ডিভাইস গুলো জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাছলিম।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলো, জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সুবেরচর গ্রামের সুরুজ্জামানের ছেলে আনিসুর রহমান (২৬), একই উপজেলার টাবুরচর এলাকার সালেমা আক্তার (২৯), সরিষাবাড়ি উপজেলার টিকাপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে আমিনুর রহমান জাকির (২৮), মাদারগঞ্জ উপজেলার তারতাপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে মোছা: সাবিনা (২৯) ও জামালপুর পৌর শহরের নয়াপাড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে কামাল পারভেজ (৩০)।
জানা গেছে, জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার করায় সালেমা আক্তার (২৯) নামে এক পরিক্ষার্থীকে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জামালপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি ) তানভীর হায়দার।
অন্যদিকে, মেলান্দহ উপজেলার মালঞ্চ আলামিন জমরিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্র থেকে আমিনুর রহমান জাকির (২৮), মেলান্দহ উমর উদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে আনিসুর রহমান, মেলান্দহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে মোছা: সাবিনাকে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ জিন্নাতুল আরা।
এছাড়াও মেলান্দহে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কামাল পারভেজ (৩০) নামে এক পরিক্ষার্থীকে ৪দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মেলান্দহ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা আক্তার জ্যোতি।
মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ জিন্নাতুল আরা বলেন, মেলান্দহে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৪জনকে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাছলিম জানান, নিয়োগ পরিক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার করায় ৫জনকে ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। জব্দ ডিভাইস গুলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে।
এফএস