হাড়কাঁপানো শীতকে জয় করে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন বোরো ধান চাষে। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে ধানের চারা রোপণ ও জমি প্রস্তুতের কাজে তাদের এ ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, বোরো চাষের জন্য কৃষকরা কেউ জমিতে ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষ দিচ্ছেন, কেউ জমির আইল মেরামত করছেন, আবার কেউ বীজতলা থেকে চারা তুলে মূল জমিতে রোপণ করছেন। বিশেষ করে উপজেলার বালিপাড়া, কানিহারি ও মঠবাড়ী ইউনিয়নের নিচু জমি গুলোতে বোরো আবাদের তোড়জোড় সবচেয়ে বেশি। তীব্র ঠান্ডার কারণে কাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও থেমে নেই তাদের কর্মযজ্ঞ।
কানিহারি এলাকার কৃষক রহমত আলী বলেন, "ঠান্ডা যত বেশিই হোক, সময়মতো চারা না লাগালে ফলন ভালো হবে না। তাই সকাল সকাল কাঁদা-পানিতে নামতে হচ্ছে।
কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থিতিশীল থাকায় সেচ পাম্পগুলো সচল রয়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় সারের দাম ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ নিয়ে কিছুটা চিন্তিত তারা। কৃষকরা দাবি করেন সরকারিভাবে সার ও কীটনাশকের সঠিক তদারকি থাকলে এবং ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রি করতে পারলে তারা লাভবান হবে।
উপজেলা কৃষি কমকর্তা তানিয়া রহমান সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, চলতি মৌসুমে ত্রিশাল উপজেলায় ১৯ হাজার ৯ শত ৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো ফসলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।ইতিমধ্যে ফিল্ট সুপারভাইজাররা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করার পরামর্শ দিচ্ছে।
পিএম