বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য নতুন বছরই শুরু হয়েছে আলোচিত এক বিতর্ক দিয়ে। গত ডিসেম্বরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মিনি নিলামে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেওয়া হয় বাংলাদেশের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে। তবে ভারতের কিছু উগ্র গোষ্ঠীর হুমকি ও নিরাপত্তা জটিলতার কারণে শেষ মুহূর্তে আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনাটি শুধু ক্রিকেট ফ্র্যাঞ্চাইজির সিদ্ধান্তের সীমায় থেমে যায়নি। পুরো দেশজুড়ে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—যদি একজন ক্রিকেটারের নিরাপত্তা ভারত নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পুরো দল, কোচিং স্টাফ, সাংবাদিক এবং সমর্থকদের নিরাপত্তা কেমন হবে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ইতিমধ্যে দুই দফা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-কে চিঠি পাঠিয়েছে। বোর্ডের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেওয়া ঘটনায় পুরো বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
এছাড়া, বাংলাদেশ সরকারও তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের ক্রিকেট দল ও সমর্থকদের নিরাপত্তা পর্যাপ্তভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ফলে এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে।
তবে বিশ্বকাপ খেলতে না গেলে বাংলাদেশ দলের জন্য অদূর ভবিষ্যতে খারাপ হবে জানালেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায় খালেদ মাহমুদ সুজন।
বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না গেলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির শঙ্কার রয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করলে জিম্বাবুয়ে ছাড়া কোনো দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে খেলতে চাইবে না। তখন আপনি টিভি কাভারেজ পাবেন? আপনি কত টাকা আয় করবেন? আর্থিক (আয়) ছাড়া আপনি কীভাবে ক্রিকেট চালাবেন?’
আরডি