মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা জানিয়েছে, আর্টেমিস টু মিশন উৎক্ষেপণ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। এটি হবে ১৯৭২ সালের পর মানুষের প্রথম চাঁদ অভিযান।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।
এই মিশনের যাত্রা হবে ১০ দিনের। এতে অংশ নেবেন নাসার তিন নভোচারী। তারা হলেন রিড উইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কোচ। তাদের সঙ্গে থাকবেন কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন। তারা চাঁদের চারপাশ ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।
আর্টেমিস টু মিশনে চাঁদের পৃষ্ঠে নামা হবে না। তবে এই মিশন ভবিষ্যতের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে ২০২৭ সালের আর্টেমিস থ্রি মিশনের পথ তৈরি হবে। ওই মিশনে বহু বছর পর আবার মানুষ চাঁদে পা রাখবে।
এই উৎক্ষেপণের সময়সূচি খুব সীমিত। পৃথিবী ও চাঁদের কক্ষপথের কারণে এই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল উৎক্ষেপণ হবে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে। এখান থেকেই এক সময় অ্যাপোলো মিশনগুলো চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল।
যদি ৬ ফেব্রুয়ারি উৎক্ষেপণ সম্ভব না হয়, তাহলে বিকল্প তারিখ রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য তারিখগুলো হলো ৭, ৮, ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি।
৫৩ বছর ধরে কোনো মানুষবাহী মহাকাশযান নিম্ন পৃথিবী কক্ষপথের বাইরে যায়নি। আর্টেমিস টু সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে যাচ্ছে।
এই মিশনে ব্যবহার করা হবে ওরিয়ন মহাকাশযান। এটি বহন করবে নাসার স্পেস লঞ্চ সিস্টেম বা এসএলএস রকেট। উৎক্ষেপণের পর প্রথমে মহাকাশযানটি পৃথিবীর চারপাশে ঘুরবে। সেখানে জীবনধারণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হবে। এরপর এটি চাঁদের দিকে যাবে।
চাঁদের কাছ দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ব্যবহার করা হবে। সেই শক্তিতে ভর করে মহাকাশযানটি আবার পৃথিবীর পথে ফিরে আসবে।
এমআর-২