প্রবাস থেকে ফিরে আসা শ্রমজীবীদের কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। প্রয়োজনে আইন পরিবর্তন করে তাদের মর্যাদা বাড়াতে হবে। আগামীতে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যারা আসবে, তাদেরকেও এদিকে নজর রাখতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।তিনি বলেন, সব রাজনীতিকদের আহ্বান জানাই মানুষকে ভালোবাসুন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা প্রবাসী শ্রমিকদের মুখে অনেক প্রশংসা করি, তাদের যোদ্ধা বলে মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু তাদের কল্যাণে তেমন কিছু কেউ করে নাই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন। অর্থাৎ প্রবাসীদের কল্যাণের জন্য একটা স্থায়ী রাষ্ট্রীয় কাঠামো তিনি গড়ে দিয়ে গেছেন। একটা বিশেষ আলাদা মন্ত্রণালয় করে দিয়ে গেছেন। এই যে প্রবাসী যারা তাদের কল্যাণের জন্য একটা স্থায়ী কাঠামো দাঁড় করানো, একটা স্থায়ী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা তাদের কল্যাণের জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বা বিএনপি সরকারের আন্তরিকতার প্রমাণ।
প্রবাসী প্রত্যাগত শ্রমিক দল তারা প্রবাস থেকে প্রত্যাগত প্রত্যেকটা শ্রমজীবী মানুষের স্থায়ী কল্যাণের জন্য কিছু করার পরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন। দেশের আইন, দেশের প্রচলিত ব্যবস্থা, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যেসব সুযোগ আছেই অলরেডি তার আলোকে কিছু পরিকল্পনা করবেন। এমনকি এ প্রস্তাবও করতে পারেন যে, বিদ্যমান আইন বা বিদ্যমান বিধান বা বিদ্যমান ব্যবস্থায় কিভাবে উন্নয়ন করা যায়, যাতে প্রত্যাগত প্রবাসীরা উপকৃত হয় বলেন তিনি।
আগামী দিনে যারাই এ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসবে, তারাই এ প্রবাস প্রত্যাগত শ্রমজীবী মানুষের জন্য আরও কার্যকর উদ্যোগ নেবেন। প্রয়োজনে আইন বিধি পরিবর্তন করে তাদের মর্যাদার জীবনযাপনে সহযোগিতা করার ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, আমি অনুরোধ করব এখন থেকে এক বছর, দুই বছর তিন বছর পরে মানুষ বলবে যে, এ একটা সংগঠন, যে সংগঠন প্রত্যাগত বা প্রবাস প্রত্যাগত শ্রমজীবী মানুষের জন্য আসলেই কিছু ভালো কাজ করছে এবং এই সংগঠনটাকে সহযোগিতা করা দরকার বা সমর্থন দেওয়া দরকার এ কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আপনাদের এ উদ্যোগের সাফল্য কামনা করি এবং আশা করি যে, আপনাদের সমস্ত উদ্যোগই হবে প্রবাস থেকে যারা ফিরে আসবেন, তাদের নিরাপত্তা, তাদের কল্যাণ, তাদের উন্নয়ন এবং তাদের মর্যাদার জীবন নিশ্চিত করা।
এইচএ