যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কর্তৃক ইরানের উপর পরিচালিত সামরিক আগ্রাসন এবং দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ লেবার পার্টি।
রবিবার (১ মার্চ ) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে টার্গেট করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা নিছক সামরিক অভিযান নয়-এটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস এবং বৈশ্বিক নৈরাজ্যের সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।’
তারা বলেন, ‘শক্তির দম্ভে পরিচালিত এই আগ্রাসন প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক আইন আজ ক্ষমতাধরদের ইচ্ছার কাছে জিম্মি। একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বকে হত্যা করে অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করা সভ্য বিশ্বের জন্য চরম লজ্জার। এটি শুধু ইরানের বিরুদ্ধে হামলা নয় -বরং গোটা মুসলিম বিশ্ব ও স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত।’
নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে পরিকল্পিত অস্থিরতা সৃষ্টি, প্রতিরোধশক্তিকে দুর্বল করা এবং ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যেই এ ধরনের টার্গেট কিলিং ও সামরিক হামলা চালানো হচ্ছে। বিশ্বকে নতুন এক ভয়াবহ সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার দায় আগ্রাসী শক্তিকেই বহন করতে হবে।’
বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকতে পারে না। জাতিসংঘ, ওআইসিসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর অবিলম্বে জরুরি অধিবেশন আহ্বান করে এই আগ্রাসনের নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা উচিত। অন্যথায় আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
তারা বলেন, ‘বাংলাদেশ লেবার পার্টি নীতিগতভাবে সব ধরনের আধিপত্যবাদ, আগ্রাসন ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপসহীন। আমরা বিশ্বাস করি, ইনসাফভিত্তিক বৈশ্বিক শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সম্মান ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাই টেকসই শান্তির একমাত্র ভিত্তি।’ নেতৃদ্বয় ইরানের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং শহীদদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
ইখা