ভোলার চরফ্যাশনে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তিন যুবককে ‘সাজানো’ ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নুর করিমসহ মামলার অন্য আসামিরা এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীরা জানান, হাসান সরদার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তিনি চট্টগ্রামে অবস্থান করলেও বিভিন্ন পরিবহনের চালক ও সহকারীদের সঙ্গে সখ্য থাকায় সেসব যানে করে চরফ্যাশনসহ ভোলার বিভিন্ন উপজেলায় মাদক পাচার করে আসছিলেন। এতে যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ায় আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শত শত নারী-পুরুষ তার বিচারের দাবিতে ইতিপূর্বে ঝাড়ু মিছিল করেছেন।
মাদকের বিরুদ্ধে এই জনমত ও প্রতিবাদ গড়ে তোলায় হাসান সরদারের মাদক ব্যবসায় ব্যাঘাত ঘটে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাসান সরদার স্থানীয় প্রতিবাদকারী নুর করিমের দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন এবং তার স্ত্রী-সন্তানকে কুপিয়ে জখমসহ তাকে মারধর করেন। এরপরও ক্ষান্ত না হয়ে নিজের মাদক ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে নুর করিম, হানিফ ও নাজমুলকে আসামি করে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নিজের স্ত্রীকে দিয়ে চরফ্যাশন থানায় একটি ‘সাজানো’ ধর্ষণ মামলা করিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা এই মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে হাসান সরদার বলেন, "আমি চট্টগ্রামে ব্যবসা করি। এলাকায় মাদক বিক্রির সাথে আমি জড়িত নই।"
চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন। তদন্তেই ঘটনার সত্য-মিথ্যা বেরিয়ে আসবে।
এনআই