এইমাত্র
  • দেশবাসীর জন্য হঠাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
  • সংকটাপন্ন সেন্টমার্টিনের ‘রক্ষাদেয়াল’ কেয়াবন উজাড় হচ্ছে
  • পরিবেশবিদ থেকে সংসদে ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, মন্ত্রী করার দাবি স্থানীয়দের
  • দাউদকান্দিতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
  • ফুলবাড়ীতে জমিদারবাড়ির শিবমন্দিরে চতুর্দশী ব্রত, ভক্তদের ঢল
  • ভালুকায় মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলারের দাপট, বাড়ছে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি
  • রমজানে হাই স্কুল বন্ধের আদেশ স্থগিত
  • উচ্ছেদ হওয়া জমিতে ফের দখল, ১৫ দপ্তরে বিআইডব্লিউটিএর চিঠি
  • ভোলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় হত্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ
  • দুর্বল কাঁধে বিশাল দায়িত্ব বহনের চেষ্টা করবো: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  • আজ সোমবার, ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    শাহজাদপুরে সরিষার বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক

    রাজিব আহমেদ রাসেল, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
    রাজিব আহমেদ রাসেল, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম

    শাহজাদপুরে সরিষার বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক

    রাজিব আহমেদ রাসেল, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সরিষার বাম্পার ফলনের আশা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। ভালো দামের প্রত্যাশায় সকল ক্লান্তি ঝেড়ে মাঠ থেকে সরিষা ঘরে তুলছেন তারা। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর বাড়তি লাভের আশায় এ অঞ্চলে সরিষার আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরিষা সংগ্রহ শেষে একই জমিতে বোরো ধানের চাষের প্রস্তুতি শুরু হবে।


    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১৬ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এ আবাদ থেকে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক ফলন আশা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৬০০ হেক্টর জমির সরিষা কাটা সম্পন্ন হয়েছে।


    সরিষা ফুলকে কেন্দ্র করে এ এলাকায় মৌচাষও বেড়েছে। বর্তমানে ২৫ জন মৌচাষি ২ হাজার ৮৪৬টি মৌবাক্স স্থাপন করেছেন। এসব বাক্স থেকে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজার ৪৮৫ কেজি মধু সংগ্রহ করা হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে মধু বাজারজাতও করা হচ্ছে।


    সরিষা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়াতে চলতি মৌসুমে ১১ হাজার ৮০০ জন কৃষককে সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। প্রণোদনার আওতায় প্রত্যেককে ১ কেজি সরিষার বীজ, ১০ কেজি এমওপি এবং ১০ কেজি ডিএপি সার বিতরণ করা হয়।

    সোনাতনী ইউনিয়নের কুরশী গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদের বলেন, “তিন বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি। বাজারে ন্যায্য দাম পেলে আমরা অনেক উপকৃত হব।”

    অন্যদিকে বেলতৈল ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রামের মোঃ ছাইফুল ইসলাম বলেন, “আমি আমার ৫০ শতক জমিতে ঘোড়াশাল তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় বারি সরিষা-১৪ জাতের একটি প্রকল্প পেয়েছি। এর মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষি আয় উন্নত হবে। আশা করি, এই ধরনের উদ্যোগ আরও কৃষকদের জন্য সহায়ক হবে।”


    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “আমাদের উপজেলার কৃষি উন্নয়নের ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শুরুতেই আমরা সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ইউনিয়নে ৩ জন করে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তারা নিয়মিত কৃষকদের পাশে থেকে সরিষা ক্ষেতে পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনসহ প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন। ফলে এ বছর মাঠে রোগবালাইয়ের উপস্থিতি ছিল খুবই কম, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।”


    তিনি আরও বলেন, “আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত অবশিষ্ট সরিষা কর্তন শেষ হবে। আমি বিশ্বাস করি, কৃষক ভাইয়েরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলন ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবেন।”



    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…