ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এতে ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলাটি করেন নিহত মুসাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম। তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সুরাইয়া বেগম বলেন, ‘সন্ধ্যায় তিনি আমাকে বললেন তুমি একটা কফি বানিয়ে দাও, আমি নামাজ পড়ে বের হবো। ওইটাই শেষ কথা ছিল। তিনি যখন বাইরে যান প্রয়োজনীয় কথা ছাড়া বাসায় ফোন দেন না।’
এই হত্যার বিচার দাবি করে তিনি বলেন, ‘সিসিটিভির ফুটেজ রয়েছে। এসব দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জরুরি পদক্ষেপ নেবে।’
সুরাইয়া বেগম আরো বলেন, ‘এই ধরনের ঘটনা ঘটেই চলছে। আগেও ঘটেছে, এখনো ঘটছে, ভবিষ্যতেও হয়োতো হবে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে আমার মতো অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাবে।’
এমন ঘটনার কারণ জানেন না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘২০ বছর ধরে পানির ব্যবসা করে আসছিলেন মুসাব্বির। প্রথমে সরাসরি জড়িত থাকলেও রাজনীতিতে প্রবেশ করার পর লোক দিয়ে এই ব্যবসা দেখাশোনা করতেন। ব্যবসা নিয়ে কোনো ঝামেলা থাকার কথা না।’
এর আগে, গতকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে কারওয়ান বাজারে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের পেছনে মোসাব্বিরসহ দুজনকে গুলি করা হয়। আজিজুর রহমান মোসাব্বির স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে পান্থপথের বিআরবি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় আহত আবু সুফিয়ান বেপারী মাসুদ (৪০) তেজগাঁও থানা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এইচএ