পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার রাখাইন রাজ্যে দু'পক্ষের চলমান বেপরোয়া গোলাগুলির ঘটনায় ছুটে আসা গুলিতে টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী এক শিশু করুন মৃত্যু হয়েছে।
নিহত শিশু হোয়াইক্যং ইউনিয়নের অন্তর্গত সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা হুজাইফা সুলতানা আফনান।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকালের দিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়ন সীমান্তবর্তী নাফনদীর ওপারে তেচ্ছীব্রিজ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।
উক্ত ঘটনার জের ধরে টেকনাফ মহা সড়কে শত শত জণতা বিক্ষোভ করেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অত্র উপজেলার চারিদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি হোয়াইক্যং সীমান্তবর্তী এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েক দিন দিন ধরে টেকনাফের নাফনদীর ওপার সীমান্তে মিয়ানমার রাখাইন রাজ্যে দু'পক্ষের সংঘর্ষে চলে আসছিল। গোলাগুলির বিকট শব্দে এপার সীমান্তে বসবাসরত বাসিন্দারা সব সময় আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
আজ রবিবার রাখাইন রাজ্য দখলে নেওয়া বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মির ছোড়া গুলিতে এক শিশু নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবারও নাফ নদীতে মাছ শিকারে গিয়ে বাংলাদেশি একজন জেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছিল।
উক্ত ঘটনার প্রতিবাদে টেকনাফ টু কক্সবাজার মহা সড়ক অবরোধ করে রেখেছে স্থানীয় আপাময় জনতা।
উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার পাশাপাশি দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে বাহিনীর সদস্যরা।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোকন কান্তি নাথ সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, মিয়ানমারের ওপারে দু'পক্ষের গোলাগুলির ঘটনায় ছুটে আসা গুলিতে এপার সীমান্তে স্থানীয় একজন শিশু নিহত হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি সীমান্ত সুরক্ষায় দায়িত্বরত বাহিনীর সদস্যরা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এইচএ