এইমাত্র
  • ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত
  • বিএনপির যেসব ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী তারেক রহমানের নির্দেশ মাথা পেতে নিলেন
  • বিক্ষোভ প্রশমনে অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ইরানের
  • জমে থাকা ক্ষোভ আর লোভে প্রাণ গেল দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিলির
  • এবার ভারতের ম্যাচে বাংলাদেশের আম্পায়ার, যে ব্যাখ্যা দিল বিসিবি
  • উ. কোরিয়ার সীমান্তে ড্রোনের হানা, সিউলকে উনের বোনের কড়া হুঁশিয়ারি
  • ঢাকা পর্বে বিপিএলের টিকিটের দাম সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, কিনবেন যেভাবে
  • ফুলবাড়ী সীমান্তে ফের সড়ক নির্মাণ বিএসএফের
  • দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না প্রথম স্ত্রীর অনুমতি
  • জুলাই হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে প্রথম জামিন পেলেন আ.লীগ নেতা হুমায়ুন
  • আজ সোমবার, ২৮ পৌষ, ১৪৩২ | ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
    আইন-আদালত

    দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না প্রথম স্ত্রীর অনুমতি

    আদালত প্রতিবেদক প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
    আদালত প্রতিবেদক প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম

    দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না প্রথম স্ত্রীর অনুমতি

    আদালত প্রতিবেদক প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম

    মুসলিম আইনানুযায়ী পুরুষের জন্য দ্বিতীয় বিয়ে জায়েজ থাকলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তা ছিল গুরুত্বর অপরাধ ও নৈতিকতার লঙ্ঘন। তবে এবার হাইকোর্ট দিয়েছেন, বাংলাদেশের কোনো মুসলিম পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক নয়। 

    আদালত বলেছেন, দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতির এখতিয়ার স্ত্রীর হাতে নয়, বরং সংশ্লিষ্ট আরবিট্রেশন কাউন্সিলের হাতে ন্যস্ত।

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) এ–সংক্রান্ত ২৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

    মুসলিম পারিবারিক আইন সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে দেওয়া রায়ে আদালত বলেন, প্রচলিত আইনে এমন কোনো বিধান নেই, যেখানে বলা হয়েছে যে স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দ্বিতীয় বিয়ের অনুমোদন দেওয়ার দায়িত্ব আরবিট্রেশন কাউন্সিলের, স্ত্রীর নয়।

    রায়ে আরও বলা হয়, মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে পুরুষকে অবশ্যই আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি নিতে হবে। তবে কোথাও প্রথম স্ত্রীর সম্মতিকে বাধ্যতামূলক শর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। 

    দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ে যে ধারণা প্রচলিত ছিল স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে অবৈধ; তা আইনের সরাসরি ব্যাখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও মন্তব্য করেন আদালত।

    আদালত বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতির ক্ষমতা যেহেতু আরবিট্রেশন কাউন্সিলের হাতে, তাই স্ত্রী অনুমতি না দিলে বিয়ে অবৈধ হয়ে যাবে—এমন ব্যাখ্যা আইনগত কাঠামোর বাইরে গিয়ে তৈরি হয়েছে। কাউন্সিল সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য, আর্থিক সক্ষমতা ও পারিবারিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবে—এটাই আইনের উদ্দেশ্য।

    আইনগত প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রায়ে উল্লেখ করা হয়, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪৯৪ ধারায় দ্বিতীয় বিয়ের জন্য সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান থাকলেও ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার পর মুসলিম পুরুষের ক্ষেত্রে সেই বিধান শিথিল করা হয়। নতুন আইনে দ্বিতীয় বিয়েকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ না করে আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

    এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন রিটকারীরা। তাঁদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বহুবিবাহের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করতে পারে। নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য সমান অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই তাঁরা আদালতে আবেদন করেছিলেন।

    আরডি

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…