টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত একটি গরুর খামার থেকে রাশিদুল নামের এক অটোরিকশা চালকের মাথার খুলি, একটি পা এবং মেরুদণ্ডের হাড় উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১১জানুয়ারি) সকালে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, সদর উপজেলার পানিয়াবান্দা গ্রামে, ২৬ নভেম্বর মফিজল হোসেনের ছেলে অটোরিকশা চালক মো. রাশিদুল ইসলাম (২৬) প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাশিদুলকে না পেয়ে ২৪ ডিসেম্বর সদর থানায় অজ্ঞাতনামা একটি মামলা করা হয়।
মামলার রহস্য উদঘাটনে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৩ জানুয়ারি পানিবান্দা বেলতা গ্রামের দবির উদ্দিনের ছেলে সহিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৌর এলাকার বেড়াডোমার ঘোনাপাড়া থেকে ভিকটিমের অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে সহিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকা থেকে আরো ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন, সদর উপজেলার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে সজিব, পৌর এলাকার ঘোনাপাড়ার মো.আলমের ছেলে সাব্বির, উজ্জলের ছেলে মো.সোহেল, সদর উপজেলার বাসাখানপুুরের রফিকের ছেলে ফরিদ হাসান ও শরিফুলের ছেলে মো. শাওন।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, ‘গ্রেপ্তার আসামিদের তথ্যর ভিত্তিতেই দেলদুয়ার উপজেলার বুরবুরিয়া গ্রামে মোখলেসুর রহমান ও সোহেলের পরিত্যক্ত গরুর খামার থেকে ভিকটিমের মাথার খুলি, একটি পা এবং মেরুদন্ডের হাড় উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও ভিকটিমের দেহাবশেষ দেখে পরিবারের লোকজন ভিকটিমকে সনাক্ত করেন। ভিকটিমকে শতভাগ সনাক্ত করার জন্য আলামত সংগ্রহ করে ঢাকায় ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।’
ইখা