এইমাত্র
  • যশোরে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে খুনি নিহত
  • বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল যুব টাইগারদের ম্যাচ
  • চট্টগ্রামে মাদ্রাসা সভাপতির বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ, তোলপাড়
  • নোবিপ্রবিতে সিগারেট ও নেশাজাতীয় দ্রব্যে বিক্রি নিষিদ্ধ
  • রেকর্ড ৯ম বারের মতো বিগ ব্যাশের ফাইনালে পার্থ স্কোর্চার্স
  • জামায়াত, এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি
  • বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার প্রশ্নে যা বললেন লিটন
  • কাউকে গোনার টাইম নেই: ফাহিম আল চৌধুরী
  • কিশোরগঞ্জ-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
  • টেকনাফ সীমান্তে থেকে ‘স্থলমাইনের চাপ প্লেট’ উদ্ধার
  • আজ মঙ্গলবার, ৭ মাঘ, ১৪৩২ | ২০ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    টেকনাফ সীমান্তে থেকে ‘স্থলমাইনের চাপ প্লেট’ উদ্ধার

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (কক্সবাজার) প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (কক্সবাজার) প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম

    টেকনাফ সীমান্তে থেকে ‘স্থলমাইনের চাপ প্লেট’ উদ্ধার

    শাহীন মাহমুদ রাসেল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট (কক্সবাজার) প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম

    কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যংস্থ মিয়ানমার সীমান্ত থেকে বেশ কিছু স্থলমাইনের চাপ প্লেট বা অগ্রভাগ উদ্ধার করেছে বিজিবি।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে মিয়ানমার সীমান্তের হোয়াইক্যং উলুবনিয়ার এলাকায় এসব চাপ প্লেট উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬৪ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

    তিনি বলেন, ‘সীমান্তে থেকে স্থলমাইনের চাপ প্লেটের মতো বেশ কয়েকটি অংশ পাওয়া গেছে। তবে সেগুলোতে কোন বিস্ফোরক কিছু নেই। তবুও আমরা বিশেষজ্ঞ সাথে বলেছি, সেগুলো খতিয়ে দেখছি।'

    জানা গেছে, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সেনা বাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে স্থলমাইনের চাপ প্লেট সমুহ উদ্ধার করে। এর সংখ্যা অনুমানিক ৫০-৬০টি হতে পারে। উদ্ধার করা এসব চাপ প্লেট হোয়াইক্যং বিজিবি ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    বিজিবির একটি সূত্র বলছে, স্থলমাইনের মোট ৪ টি অংশ। যার মধ্যে অগ্রভাগ বা চাপ প্লেটই উদ্ধার হয়েছে। চাপ প্লেট মুলত মাটির উপর বসানো থাকে, যা চাপ পড়লে সক্রিয় হয়।

    এছাড়া চাপ প্লেটে রয়েছে কেসিং, যা মাইনের বাইরের আবরন, যা বিস্ফোরক ও অন্যান্য অংশকে ধারণ করে। এটি ধাতু, প্লাস্টিক বা অন্যান্য উপাদান দিয়ে তৈরি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ অংশটি বিস্ফোরক অংশ। যা মাইনের মূল বিধ্বংসী অংশ, যা বিস্ফোরণ ঘটায়। এর সাথে একটি বুস্টার চার্জ থাকে যা মূল বিস্ফোরকে আগুন জ্বালায়।

    এছাড়া ফায়ারিং মেকানিজম থাকে। এটি মাইনকে সক্রিয় করার প্রক্রিয়া। শেষ অংশটি ডিটোনেটর বা ফায়ারিং পিন। যা ফায়ারিং মেকানিজম দ্বারা সক্রিয় হলে এটি মূল বিস্ফোরক অংশকে ইগনাইট করে বিস্ফোরণ ঘটায়।

    আরডি

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…