বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, মানুষ বিশ্বাস করে দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতেই দেশ নিরাপদ, দেশের গণতন্ত্র নিরাপদ।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল অ্যাডভোকেট বার সমিতি মিলনায়তনে সদরের আইনজীবীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিএনপি কখনো জনগণের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করেনি। এ কারণেই আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে উদার, আধুনিক ও গণতান্ত্রিক দল। যতবারই দেশে গণতন্ত্র হোঁচট খেয়েছে, ততবার বিএনপিই গণতন্ত্রকে টেনে তুলেছে। জিয়া পরিবার এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক।
তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে দলের নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে সমর্থক সবাই কমবেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। নির্যাতনের বাইরে কেউ নেই। আপনারাও যথাযথ মর্যাদা পাননি। কিন্তু আজ দলের সামনে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হাতছানি দিচ্ছে।
তিনি বলেন, তারেক রহমান বারবার বলেছেন, তিনি পেছনের কথা বলতে চান না, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চান। বিএনপিই একমাত্র দল যারা দেশের ঐক্যের কথা বলেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। অথচ বিভিন্ন সময়ে দেশকে বিভক্ত করার চেষ্টা হয়েছে। ২৪ এর আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একটি দল বিভাজন সৃষ্টি করেছে। কিন্তু তারেক রহমান আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সবাইকে নিয়ে জাতীয় সরকারের কথা বলেছেন।
টুকু বলেন, এই মুহূর্তে দেশ ও দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখতে হলে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই। দেশনায়ক তারেক রহমানেরও কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের মানুষকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় আগামী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তারা নিঃসংকোচে তারেক রহমানের নামই বলেন, এটাই বাস্তবতা।
তিনি উপস্থিত নেতা-কর্মী ও আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, দলের স্বার্থে সব বিভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে কারও মনোমালিন্য থাকতে পারে, কিন্তু দলের প্রতি কোনো মনোমালিন্য থাকা উচিত নয়। ব্যক্তি ভুল করতে পারে, কিন্তু দল কোনো ভুল করেনি। তাই ছোটখাটো ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে সবাইকে এক হয়ে দলকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আলী ইমাম তপনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পিপি মো. শফিকুল ইসলাম রিপন, বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক একেএম রফিকুল ইসলাম রতন, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আইয়ুব প্রমুখ।
এছাড়াও বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী।
এমআর-২