স্প্যানিশ সুপার কাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার কাছে হারের পর বরখাস্ত হারিয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের কোচ জাবি আলোনসো। এরপর তার স্থলাভিষিক্ত হন আলভারো আরবেলোয়া।
দায়িত্ব নেওয়ার পর কোপ দেল রে’র শেষ ষোলোতে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ আলবাসেতের কাছে ৩-২ গোলে হেরেছিল আলভারো আরবেলোয়ার রিয়াল মাদ্রিদ।
এমন হারের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, রিয়াল মাদ্রিদে আলভারোর ভবিষ্যৎ নিয়ে। সমর্থকরা বলছিলেন অখ্যাত এই কোচকে নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের অবস্থান আরও তলানিতে নামবে।
তবে সেই সমালোচনা উড়িয়ে দিয়ে তার শিষ্যরা। চ্যাম্পিয়নস লিগে মোনাকোর বিপক্ষে অসাধারণ পারফরম্যান্সে বড় জয়ের দেখা পেয়েছে লস বাঙ্কোসরা। ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে প্রতিপক্ষের জালে গুণে গুণে ৬টি গোল করেছে রিয়ালল মাদ্রিদ। অপরদিকে, মাত্র একটি গোল পরিশোধ করতে সক্ষম হয় সফরকারীরা।
এদিন দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন এমবাপ্পে। এছাড়া একটি গোল পেয়েছেন দলটির ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। পাশাপাশি দুইটি অ্যাসিস্ট এসেছে তার পা থেকে। একটি করে গোল করেছেন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো ও জুড বেলিংহ্যাম।
এর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগে আগের তিন ম্যাচে দুই হার দেখতে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। এতে পয়েন্ট টেবিলেও কিছুটা পেছনে পড়েছিল দলটি। তবে মোনাকোর বিপক্ষে এমন আবারও টেবিলের দুই নম্বরে উঠে এসেছে দলটি।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই গোল উৎসবে মাতে এমবাপ্পে-ভিনিরা। ম্যাচের মাত্র ৫ মিনিটেই গোল করে ‘ডেডলক’ ভাঙেন ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। এরপর ম্যাচের ২৬ মিনিটে, ফরাসি তারকার জোড়া গোল পূর্ণ করার পর প্রথমার্ধেই ২-০ লিড নেয় রিয়াল।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেই ষষ্ঠ মিনিটের মাথায় দলের ব্যবধান ৩-০ করেন মাস্তানতুয়োনো। ডি-বক্সে তাকে অ্যাসিস্ট করেন ব্রাজিলিয়ান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। অ্যাঙ্গেল শটে দূরের পোস্ট বল লক্ষ্যে পাঠান মাস্তানতুয়োনো। এরপর ৫৫তম মিনিটে গোলমুখে ভিনিসিয়ুসের পাস ক্লিয়ার করতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন টিলো কেহরাহ। এরপর ৬৩তম মিনিটে গোলের দেখা পান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আট মিনিট পর নিজেদের ভুলে একটি গোল হজম করে রিয়াল।
ম্যাচের ৮০তম মিনিটে রিয়ালের হয়ে মোনোকোর কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকেন জুড বেলিংহ্যাম। তাতে ৬-১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল।
আরডি