ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা। তাপমাত্রা নিম্নমুখী হয়ে উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে চলছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। বিকেলের পর নামছে ঘন কুয়াশা, সেই সঙ্গে বাড়ছে শীত ও ঠান্ডার তীব্রতা। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এ উপজেলার জনজীবন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
হিমালয়ের পাদদেশঘেঁষা এ অঞ্চলে দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে তীব্র শীত। দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় উপজেলা জুড়ে শীতের দাপট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ধরলা ও বারোমাসিসহ বিভিন্ন নদ-নদীর চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। শীত যেন রূপ নিয়েছে এক গভীর মানবিক সংকটে।
উপজেলার বালারহাট বাজারে অটোরিকশা চালক গোলজার হোসেন ও শাহিন মিয়া বলেন, “ঠান্ডা এত বেশি যে গাড়ি নিয়ে বের হলে শরীর জমে যায়। ঠান্ডায় হাত-পা কাঁপে, ঠিকমতো গাড়ি চালানো যায় না। এমন ঠান্ডা আগে দেখিনি।” তবুও জীবন-জীবিকার তাগিদে তারা শীত উপেক্ষা করেই কাজে বের হচ্ছেন।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের হিমেল বাতাস এবং বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা বেশি থাকায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
ইখা