এইমাত্র
  • পদত্যাগ নিয়ে বিভ্রান্তি, মুখ খুললেন আইজিপি
  • মাদুরোকে অপহরণে অ্যানথ্রপিকের এআই ‘ক্লড’ ব্যবহার
  • তারেক রহমানের শপথে আসছেন ভারতের স্পিকার-পররাষ্ট্র সচিব
  • নাহিদ-সারজিসকে বুকে টেনে নিলেন তারেক রহমান
  • নতুন সরকারের নির্দেশনা পেলে ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান
  • ১৪ দিনে এলো ১৬৫১৯ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
  • শফিকুর রহমানের বাসায় তারেক রহমান
  • নাহিদের বাসায় তারেক রহমান
  • দেশে নির্বাচন পরবর্তী কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতন ঘটেনি: প্রেস সচিব
  • ফের পেছালো হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ
  • আজ সোমবার, ২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    আইন-আদালত

    রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:২০ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:২০ পিএম

    রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:২০ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন থেকে সৃষ্ট সরকার বিরোধী আন্দোলনে রাজধানীর রামপুরায় একজনকে গুলি ও দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের জন্য আগামী ৪ মার্চ দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

    আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তারিখ নির্ধারণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

    এর আগে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্যানেলে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন উভয়পক্ষের আইনজীবীরা।

    এ মামলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মোট আসামি ৫জন।

    অন্য আসামিরা হলেন- খিলগাঁও জোনের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান, সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) তরিকুল ইসলাম ভূইয়া এবং রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার। এদের মধ্যে চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    যুক্তিতর্কে প্রসিকিউশন পক্ষ ট্রাইব্যুনালকে জানায়, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে সারাদেশের মতো রামপুরায়ও ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে তৎকালীন সরকারের পুলিশ বাহিনী। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিরস্ত্র আমির হোসেনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়, যা স্পষ্টতই মানবতাবিরোধী অপরাধ। এছাড়া আরও দুজনকে শহীদ করা হয়। পুলিশের ঊর্ধ্বতনদের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সাক্ষ্য-প্রমাণ, ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দিসহ নথিপত্রে এ মামলার পাঁচ আসামির সম্পৃক্ততা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

    এ মামলায় ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত সংস্থা। এরপর ৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। পরে ১৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলার বিচার শুরু হয়।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আমির হোসেন জুমার নামাজ পড়ে বাসায় ফিরছিলেন। বাসার কাছে তখন সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে যান তিনি। এ সময় পুলিশ গুলি শুরু করে। আমির হোসেন দৌড়ে নির্মাণাধীন একটি ভবনের চারতলায় গিয়ে আশ্রয় নেন। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া করে পুলিশ ভবনটির চারতলায় ওঠে। সেখানে আমির হোসেনকে পেয়ে পুলিশ সদস্যরা তার দিকে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করে বারবার নিচে লাফ দিতে বলেন। একজন পুলিশ সদস্য তাকে ভয় দেখাতে কয়েকটি গুলিও করেন। ভয়ে আমির হোসেন লাফ দিয়ে নির্মাণাধীন ভবনটির রড ধরে ঝুলে থাকেন। তখন তৃতীয় তলা থেকে একজন পুলিশ সদস্য আমির হোসেনকে লক্ষ্য করে ছয়টি গুলি করেন। গুলিগুলো আমিরের দুই পায়ে লাগে।

    পরে পুলিশ চলে গেলে আমির হোসেন ঝাঁপ দিয়ে কোনোরকমে তৃতীয় তলায় পড়েন। তখন তার দুই পা দিয়ে রক্ত ঝরছিল। পরে আমির হোসেনকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান তিনি। এছাড়া একইদিন রামপুরার বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন।

    এইচএ



     

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…