এইমাত্র
  • পদত্যাগ নিয়ে বিভ্রান্তি, মুখ খুললেন আইজিপি
  • মাদুরোকে অপহরণে অ্যানথ্রপিকের এআই ‘ক্লড’ ব্যবহার
  • তারেক রহমানের শপথে আসছেন ভারতের স্পিকার-পররাষ্ট্র সচিব
  • নাহিদ-সারজিসকে বুকে টেনে নিলেন তারেক রহমান
  • নতুন সরকারের নির্দেশনা পেলে ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান
  • ১৪ দিনে এলো ১৬৫১৯ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
  • শফিকুর রহমানের বাসায় তারেক রহমান
  • নাহিদের বাসায় তারেক রহমান
  • দেশে নির্বাচন পরবর্তী কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতন ঘটেনি: প্রেস সচিব
  • ফের পেছালো হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ
  • আজ সোমবার, ২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    শার্শায় জেলা পরিষদের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

    মো. জামাল হোসেন, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
    মো. জামাল হোসেন, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

    শার্শায় জেলা পরিষদের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

    মো. জামাল হোসেন, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

    যশোরের শার্শা উপজেলায় জেলা পরিষদের মালিকানাধীন সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, উপজেলার বাগআঁচড়া এলাকার একটি খাস জমিতে আমের আড়ৎ নির্মাণ করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী শাহাজান কবির পন্ডিত।


    জানা গেছে, বাগআঁচড়া বাগুড়ী বেলতলা আম বাজারসংলগ্ন নাভারণ–সাতক্ষীরা সড়কের পশ্চিম পাশে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন প্রায় চার শতক জমি ঘিরে ইটের দেয়াল ও পিলার নির্মাণ করা হয়েছে। টিন দিয়ে ঘর নির্মাণও প্রায় শেষ পর্যায়ে।


    এলাকাবাসী জানান, বাগুড়ী মৌজার প্রধান সড়কের পাশে জেলা পরিষদের একাধিক জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব জমি ধীরে ধীরে বেদখল হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। শুরুতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও পরে স্থাপনা নির্মাণ সম্পন্ন হয়ে যায়।


    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, “আমরা দেখেছি জায়গাটি সরকারি। কাজ শুরু হলে বন্ধও করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কয়েকদিন পর আবার নির্মাণকাজ চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ঘর দাঁড়িয়ে গেল। তাহলে নির্দেশ কার্যকর হলো কোথায়?”


    আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সরকারি জমি এভাবে দখল হয়ে গেলে ভবিষ্যতে জনস্বার্থে রাস্তা প্রশস্তকরণ বা অন্য কোনো উন্নয়নকাজে সমস্যা তৈরি হবে।


    অভিযোগের বিষয়ে শাহাজান কবির পন্ডিত জানান, তিনি নিজের জমিতেই ঘর নির্মাণ করছেন। তবে জেলা পরিষদের জমির কিছু অংশ যুক্ত হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি স্বীকার করেন। জেলা পরিষদ নিষেধ করলে তিনি ঘর ভেঙে ফেলবেন বলেও দাবি করেন।


    কায়বা ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বলেন, এ বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে পারবেন না। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।


    শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম জানান, জেলা পরিষদের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকারি জমি অবমুক্ত করা হবে।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…