ভোট কারচুপি ও প্রশাসনের একপেশে আচরণের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জ শহরের দরগা রোডস্থ জেলা জামায়াত কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, "প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশাসনকে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ দেওয়ার পরও কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো সাধারণ ভোটার ও আমার কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি প্রদর্শন, মিথ্যা অপপ্রচার, প্রচার মিছিলে হামলা এবং নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়েছে।"
ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, "ভোটের আগের দিন আমার পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকা ছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। অনেক কেন্দ্রে এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে আমার প্রাপ্ত ভোটকে অবৈধ ঘোষণা এবং প্রতিপক্ষের বাতিল হওয়া ভোটকে বৈধ দেখানোর মতো ঘটনা ঘটেছে। ফলাফল শিটে প্রিসাইডিং অফিসার কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে ঘষামাজা করে জালিয়াতি করা হয়েছে।"
সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা শহিদুল ইসলাম, শহর জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল লতিফ, কামারখন্দ উপজেলা আমির আবু ইউসুফ ও শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি শামীম রেজাসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (ধানের শীষ) ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৭ ভোট।
এনআই