এইমাত্র
  • ঢাকায় মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত, পালিয়েছে মার্কিন রণতরী: আইআরজিসি
  • কাতারের সব ধরনের ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ানোর ঘোষণা
  • চুক্তিতে চার সচিব নিয়োগ দিল সরকার
  • এবার ইসরায়েলে ক্লাস্টার বোমা হামলা চালিয়েছে ইরান
  • ইরানে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে হামলার দাবি ইসরায়েলের
  • মক্কা ও মদিনা থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ইরানি ওমরাহ যাত্রীদের
  • যশোর হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে পকেট ভরছে দালাল!
  • যশোরে ফার্মেসি মালিক অপহরণ, ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি
  • আজ বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    শরীয়তপুরে পেঁয়াজ ও রসুনের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

    বিপ্লব হাসান হৃদয়, শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ মার্চ ২০২৬, ১১:৫০ পিএম
    বিপ্লব হাসান হৃদয়, শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ মার্চ ২০২৬, ১১:৫০ পিএম

    শরীয়তপুরে পেঁয়াজ ও রসুনের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

    বিপ্লব হাসান হৃদয়, শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩ মার্চ ২০২৬, ১১:৫০ পিএম

    শরীয়তপুর জেলায় চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ ও রসুনের আবাদ গত কয়েক বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আধুনিক রোপণ প্রযুক্তি ও ‘বিনা চাষ’ পদ্ধতির ব্যবহারের কারণে আগাম ফলন সম্ভব হচ্ছে। এতে জেলার দ্বিফসলি জমি এখন তিনফসলি এবং তিনফসলি জমি চারফসলি জমিতে রূপান্তরিত হচ্ছে। ফলে কৃষি উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি আগে পতিত থাকা জমিও এখন চাষের আওতায় এসেছে।

    নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার কৃষকরা জানান, বর্ষা শেষে পানি নেমে যাওয়ার পর মাটি নরম থাকা অবস্থায় তাঁরা সারি সারি করে পেঁয়াজ ও রসুন রোপণ করেছেন। জমি পরিষ্কার রাখা, বিজ্ঞানভিত্তিক চাষ পদ্ধতি অনুসরণ এবং স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সার-বীজ সরবরাহের কারণে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া চলতি মৌসুমে অতিবৃষ্টি না হওয়ায় ফলনও বেশ ভালো হয়েছে।

    শরীয়তপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, এ বছর পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৩৫২ হেক্টর এবং রসুনের ৪ হাজার ৭৫০ হেক্টর। পেঁয়াজের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬১ হাজার ৫১ মেট্রিক টন এবং রসুনের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ৪২ হাজার ৭৫০ মেট্রিক টন।

    জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকার কৃষক খালেক মোল্লা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন খুব ভালো হয়েছে। রোগবালাই কম থাকায় জমির গাছগুলো বেশ স্বাস্থ্যবান ছিল। তিনি ইতিমধ্যে স্থানীয় আড়তদারদের কাছে পেঁয়াজ ৩৪ টাকা এবং রসুন ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি শুরু করেছেন। বাজারদর আরও বাড়লে লাভের পরিমাণ বাড়বে বলে তিনি আশাবাদী।

    পাইনপাড়া এলাকার কৃষক জালাল উদ্দীন শেখ বলেন, “এ বছর আমি ২ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ এবং ১ বিঘা জমিতে রসুনের চাষ করেছি। অনুকূল আবহাওয়া ও নিয়মিত পরিচর্যায় ফলন ভালো হয়েছে।” নড়িয়া উপজেলার নশাসন এলাকার কৃষক রশিদ কাজিও একই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

    শরীয়তপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “বিনা চাষ পদ্ধতিতে রসুনের আবাদ মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। আগাম ফলন পেলে কৃষক ভালো বাজারদর পান। আমরা কৃষকদের নতুন জাত ও উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি। এ কারণে জেলায় এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, উন্নত চাষ পদ্ধতি প্রয়োগ করলে পতিত জমিও ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে, যা দীর্ঘমেয়াদে জেলার কৃষির উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।


    এনআই

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…