এইমাত্র
  • যশোরে ফার্মেসি মালিক অপহরণ, ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি
  • লোহাগাড়ার আধুনগর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ
  • ইবিতে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার’ উদ্বোধন
  • দেলদুয়ারে মাটিখেকোদের দৌরাত্ম্য, উর্বরতা হারাচ্ছে কৃষিজমি
  • ঈশ্বরদীতে মাদকের বিরুদ্ধে যুবকের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
  • বাউফলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
  • নাগরপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে দুই মসজিদে ‘মুর্দা মশারী’ বিতরণ
  • কটিয়াদীতে ফাল্গুনেও ঘন কুয়াশা
  • উখিয়ায় ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ
  • কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস বন্ধ ঘোষণা
  • আজ মঙ্গলবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৩ মার্চ, ২০২৬
    জাতীয়

    জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ৭ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৪১ এএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ৭ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৪১ এএম

    জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

    সময়ের কণ্ঠস্বর রিপোর্ট প্রকাশ: ৭ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৪১ এএম
    সংগৃহীত ছবি

    আজ ৭ নভেম্বর, ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ মানুষের যৌথ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে অরাজকতা ও অনিশ্চয়তার ঘোর কাটিয়ে বাংলাদেশে সূচিত হয়েছিল নতুন যাত্রা।


    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী সেনা অভ্যুত্থান ও পালটা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে যখন চরম নৈরাজ্যমূলক পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত ঐক্যের বিপ্লব দেশ ও জাতিকে অনাকাঙ্ক্ষিত শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিয়েছিল। অভূতপূর্ব সেই বিপ্লব-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সাময়িক বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন স্বাধীনতার ঘোষক, তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো ৭ নভেম্বরকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।


    বিএনপি সরকারের আমলে এ দিনটিতে সরকারি ছুটি ছিল। আওয়ামী লীগ সরকার এ ছুটি বাতিল করে। আওয়ামী শাসনামলে দিবসটি স্বচ্ছন্দে উদযাপনও করতে পারেনি দলটি। 


    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি জিয়ার নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রভাবমুক্ত হয়ে শক্তিশালী সত্তা লাভ করে। গণতন্ত্র অর্গলমুক্ত হয়ে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যায়। এই দিন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসে। 


    সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল মাহবুবুর রহমানের লেখা ‘কিছু স্মৃতি কিছু কথা’ বইয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ‘৭ নভেম্বর গোটা দেশজুড়ে সৈনিক-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত এক অভূতপূর্ব উত্থান ঘটে। আর জেনারেল জিয়া সে অভ্যুত্থানের উত্তাল তরঙ্গমালার শৃঙ্গে আরোহণ করে উঠে আসেন জাতীয় নেতৃত্বে পাদপ্রদীপে।’ 


    ৭ নভেম্বরের বিপ্লব সম্পর্কে তদানীন্তন দৈনিক বাংলার রিপোর্টে বলা হয়, ‘সিপাহি ও জনতার মিলিত বিপ্লবে চার দিনের দুঃস্বপ্ন শেষ হয়েছে। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়েছেন। 


    আরও বলা হয়, ৭ নভেম্বর ভোরে রেডিওতে ভেসে আসে– ‘আমি মেজর জেনারেল জিয়া বলছি।’ জেনারেল জিয়া জাতির উদ্দেশে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে যথাস্থানে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। ওইদিন রাজধানী ঢাকা ছিল মিছিলের নগরী। পথে পথে সিপাহি-জনতা আলিঙ্গন করে একে অপরকে। সাধারণ মানুষ সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্কের নলে পরিয়ে দেন ফুলের মালা। এই আনন্দের ঢেউ রাজধানী ছাড়িয়ে দেশের সব শহর-নগর-গ্রামেও পৌঁছে যায়।’


    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…