এইমাত্র
  • মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক
  • দেশে ফিরলেই গ্রেপ্তার হবেন অজুর্না রানাতুঙ্গা
  • লন্ডনে তারেক রহমানের শেষ কর্মসূচি আজ
  • মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা ইতিহাসের ৯০ ভাগই মিথ্যা: আমির হামজা
  • ৭১ ও ২৪-এর দালালদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আছি: নাহিদ ইসলাম
  • ‘নিরাপত্তা’র কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপি প্রার্থী
  • ভারতের আতিথেয়তায় মুগ্ধ মেসি
  • আইপিএল নিলাম: সবচেয়ে বেশি টাকা কেকেআর'র, অন্য দলের হাতে কত?
  • ‘স্বাধীনতা বিরোধীদের চেষ্টা নস্যাৎ করে দেশের মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে’
  • স্বাধীনতার ৫৪ বছর উদযাপনে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করে বাংলাদেশের বিশ্ব রেকর্ড
  • আজ মঙ্গলবার, ২ পৌষ, ১৪৩২ | ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
    আইন-আদালত

    ৬৭৮ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড মালিকের বিরুদ্ধে মামলা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১৮ নভেম্বর ২০২৫, ০১:০৮ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১৮ নভেম্বর ২০২৫, ০১:০৮ পিএম

    ৬৭৮ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড মালিকের বিরুদ্ধে মামলা

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ১৮ নভেম্বর ২০২৫, ০১:০৮ পিএম
    ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। ছবি: সংগৃহীত

    ৬৭৮ কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার বিরুদ্ধে মামলা করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।

    আজ মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকালে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. জসীমউদ্দিন খান এ তথ্য জানান।

    পুলিশ জানায়, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেশে-বিদেশে স্বর্ণ ও হীরা ব্যবসা পরিচালনার আড়ালে অর্থ পাচার ও চোরাকারবারি করে আসছিলেন দিলীপ আগরওয়ালা।

    গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের আর্থিক লেনদেনের নথিপত্র ও ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে অনুসন্ধান শুরু করেছিল সিআইডির ফিন্যানসিয়াল ক্রাইম ইউনিট।

    পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করে অবৈধ পন্থায় অর্থ উপার্জন করেছে এমন তথ্য সিআইডির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমববার ঢাকার গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়।

    অনুসন্ধানে আরো উঠে আসে, প্রতিষ্ঠানটি ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে মোট ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪৮ হাজার ১১ টাকার স্বর্ণবার, অলংকার, লুজ ডায়মন্ড ও অন্যান্য পণ্য বৈধভাবে আমদানি করে। একই সময়ে স্থানীয় বাজার থেকে ক্রয়-বিনিময় ও পরিবর্তন পদ্ধতিতে মোট ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করে। তবে প্রতিষ্ঠানটি সিআইডিকে এর উৎস বা সরবরাহকারী সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

    রাষ্ট্রের অর্থপাচারে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠিদের আইনের আওতায় আনা এবং রাষ্ট্রের আর্থিক স্বার্থ সংরক্ষণে সিআইডির এ ধরণের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জসীমউদ্দিন খান জানান।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…