যশোরের মণিরামপুর উপজেলার প্রকাশ্যে রানা প্রতাপ বৈরাগীকে (৪২) মাথায় গুলি করে হত্যার ঘটনায় পুলিশ তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে তদন্ত শুরু করেছে। এগুলো হলো:
নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী দল ছেড়ে দেয়ার জের, পেশাগত দ্বন্দ্ব,ব্যবসায়িক শত্রুতা তবে এখনো পর্যন্ত খুনের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। রানা প্রতাপ কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত তুষার কান্তি বৈরাগীর ছেলে।
জানা গেছে, রানা প্রতাপ বৈরাগী মণিরামপুরের কপালিয়া বাজারে বরফকল স্থাপন করে ব্যবসা করতেন। তার ঘের ও মৎস্য ব্যবসা ছিল। তিনি কেশবপুর কাটাখালি মৎস্য আড়ৎ সমিতির সভাপতি ছিলেন। এছাড়া নড়াইল থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘বিডি খবর’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করতেন। পূর্বে তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী দলের সদস্য ছিলেন, তবে বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিলেন। কেন তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা কেউ নিশ্চিত নয়।
মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রজিউল্লাহ খান জানান, রানা প্রতাপের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার ঘটনায় তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে তদন্ত করা হচ্ছে। খুব শিগগিরই হত্যার মোটিভ উদঘাটন হবে। খুনিদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কপালিয়া বাজারে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসেছিলেন রানা প্রতাপ। এসময় একটি মোটরসাইকেলে আসা ৩ জন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে রানা প্রতাপ ঘটনাস্থলেই মারা যান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৭টি গুলির খোসা জব্দ করেছে।
এনআই