এইমাত্র
  • বিসিবির অনুরোধ রাখেনি আইসিসি, দিয়েছে হুঁশিয়ারি!
  • চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী ফুল উৎসব
  • তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিত
  • বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন তারেক রহমান
  • বিএনপির বিদ্রোহীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে ব্যবস্থা: নজরুল ইসলাম খান
  • পায়ে হেঁটে বাসা থেকে অফিসে গেলেন তারেক রহমান
  • গুলশানে একটু পরে শুরু হবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক
  • শেষ দিনে ইসিতে ১৩১ প্রার্থীর আপিল
  • রাতেই আসতে পারে তারেক রহমানের ভারমুক্তের ষোঘণা
  • কিশোরগঞ্জ-২ আসনে আলোচনায় এক পরিবারের ত্রিমুখী রাজনীতি
  • আজ শনিবার, ২৬ পৌষ, ১৪৩২ | ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    ইরানে বিক্ষোভে চাপের মুখে খামেনি প্রশাসন, সরকারি ভবনে আগুন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৯ এএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৯ এএম

    ইরানে বিক্ষোভে চাপের মুখে খামেনি প্রশাসন, সরকারি ভবনে আগুন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৯ এএম
    ছবি: সংগৃহীত

    ইরানে চলমান বিক্ষোভ আরও জোরদার হয়েছে। টানা বিক্ষোভে চাপের মুখে পড়েছে খামেনি প্রশাসন। এর মধ্যেই, বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার খবর দিচ্ছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। এছাড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়া এই আন্দোলন থেকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পদত্যাগও দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা। 

    সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা গেছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে বিক্ষোভ চলাকালে তেহরানের কুদস স্কয়ারে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীরা ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যু হোক’ স্লোগান দেন। 

    এছাড়া চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে পূর্ব তেহরানে একটি সরকারি ভবনে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ভবনটিতে আগুনে জ্বলছে এবং এসময় আশপাশে থাকা বিক্ষোভকারীরা উল্লাস প্রকাশ করছেন। 

    এদিকে, অর্থনৈতিক সংকট ঘিরে চলমান বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী টিয়ার গ্যাস ছাড়াও বিক্ষোভকারীদের ওপর সরাসরি গুলি ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। 

    টানা বিক্ষোভে ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব গভীর চাপে পড়েছে। বহু বছর ধরে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি জুন মাসে ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধের ধকল সামলাতে হচ্ছে সরকারকে। 

    কর্তৃপক্ষ এই অস্থিরতার জন্য ‘দাঙ্গাবাজদের’ দায়ী করেছে। বিক্ষোভকারীদের বিচারের ক্ষেত্রে ‘কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান। 

    ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত শাহের পুত্র ও প্রভাবশালী নির্বাসিত বিরোধী নেতা রেজা পাহলভি গেল বুধবারের বিক্ষোভে অংশগ্রহণকে এই আন্দোলনের জন্য ‘অভূতপূর্ব’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বড় পরিসরে নতুন বিক্ষোভ আয়োজনেরও আহ্বান জানিয়েছিলেন। 

    অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে জানায়, ‘১০ দিনের বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভ দমন করতে অবৈধ বলপ্রয়োগ করা হয়েছে। ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বিক্ষোভকারী ও সাধারণ পথচারী নিহত ও আহত হয়েছেন।’ 

    এদিকে মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা এইচআরএএনএ (HRANA) প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশের কুহচেনার শহরে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির একটি ভাস্কর্য ভেঙে ফেলে উল্লাস করছেন বিক্ষোভকারীরা। 

    এইচআরএএনএ বলছে, তাদের হিসাব অনুযায়ী ইরানের ৩১টি প্রদেশের সবগুলোতেই মোট ৩৪৮টি স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে।  

    অন্যদিকে, স্থানীয় গণমাধ্যম ও সরকারি সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা এএফপির হিসাবে জানা গেছে, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। তবে এ সংখ্যা আরও বেশি বলে দাবি অনেক বেসরকারি সংস্থার। 

    সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল, আল জাজিরা

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…