এইমাত্র
  • নাজমুল ইসলামকে বিসিবির কারণ দর্শানোর নোটিশ
  • বিক্ষোভকারী এরফানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করল ইরান
  • বিপিএলের ঢাকা পর্ব শুরু আজ
  • গাজীপুরে বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিলেন মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল
  • ভোলায় ভুল রক্ত দেওয়ায় প্রসূতির মৃত্যু, আদালতের সুয়োমোটো মামলা
  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের আশঙ্কায় ইরানের আকাশসীমা সাময়িক বন্ধ
  • রংপুরে মদ পানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭
  • মেঘনায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ১
  • নারায়ণগঞ্জে এনসিপির এমপি প্রার্থীর উপর হামলার চেষ্টা
  • সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২ মাঘ, ১৪৩২ | ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
    ধর্ম ও জীবন

    জুমার দিনে সুন্নত আমলের প্রস্তুতি শুরু হয় ঘর থেকেই

    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৫ পিএম
    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৫ পিএম

    জুমার দিনে সুন্নত আমলের প্রস্তুতি শুরু হয় ঘর থেকেই

    ধর্ম ও জীবন ডেস্ক প্রকাশ: ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৫ পিএম

    ইসলামে জুমার নামাজের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। একজন মুসলমানের উচিত এ দিনের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া এবং জুমার নামাজকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া। আলেমদের মতে, জুমার নামাজের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয় ঘর থেকেই। গোসল করা, সুগন্ধি ব্যবহার করা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও উত্তম পোশাক পরিধান করা জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত।

    গোসল ও প্রস্তুতি শেষে ধীরস্থিরতা, বিনয় ও প্রশান্তি বজায় রেখে মসজিদের পথে রওনা হওয়া সুন্নত। তাড়াহুড়া, বিশৃঙ্খলা বা অন্যকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। সম্ভব হলে আগেভাগেই মসজিদে পৌঁছানোর প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। কারণ, আগেভাগে জুমায় উপস্থিত হলে বড় ধরনের সওয়াবের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

    মসজিদে প্রবেশ করার পর প্রথম কাজ হলো দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ নামাজ আদায় করা। হাদিসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে দুই রাকাত নামাজ আদায় না করে বসবে না। এরপর ইমামের কাছাকাছি ও সামনের কাতারে বসার চেষ্টা করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে অন্য মুসল্লিদের কষ্ট দেওয়া বা মানুষের কাঁধ ডিঙিয়ে সামনে যাওয়ার অনুমতি নেই। জুমার দিনে এমন আচরণকে বিশেষভাবে অপছন্দনীয় বলা হয়েছে। 

    ইমাম মিম্বরে ওঠার আগ পর্যন্ত মুসল্লিরা নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও দোয়ার মাধ্যমে সময় কাটাতে পারেন। আলেমরা বলেন, জুমার জন্য যারা আগেভাগে মসজিদে আসেন, তাদের উচিত এ সময়টুকু আল্লাহর ইবাদতে ব্যয় করা। 

    হাদিসে এসেছে, জুমার দিনে প্রথম ঘণ্টায় আগমনকারী যেন একটি উট কোরবানি করল, দ্বিতীয় ঘণ্টায় আগমনকারী যেন একটি গরু কোরবানি করল। এভাবে ধাপে ধাপে সওয়াবের কথা বর্ণনা করা হয়েছে।

    ইমাম যখন মিম্বরে ওঠেন, তখন মুসল্লিদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা। এ সময় কথা বলা, অপ্রয়োজনীয় কাজ করা এমনকি পাশের জনকে চুপ থাকতে বলাও নিষিদ্ধ। পূর্ণ মনোযোগ ও অন্তরের উপস্থিতি নিয়ে খুতবা শোনা জুমার নামাজের অন্যতম শর্ত।

    খুতবা শেষে ইকামত হলে খুশু ও একাগ্রতার সঙ্গে জামাতে দুই রাকাত জুমার ফরজ নামাজ আদায় করতে হবে । হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি জুমার দিনে গোসল করে, মসজিদে উপস্থিত হয়, খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনে এবং নামাজ আদায় করে, তার এক জুমা থেকে আরেক জুমা পর্যন্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়, সঙ্গে অতিরিক্ত তিন দিনের গুনাহও ক্ষমা করা হয়।

    নামাজ শেষ হলে নির্ধারিত জিকির ও দোয়া আদায় করা সুন্নত। এরপর ঘরে বা কাজে ফিরে যাওয়া বৈধ। কোরআনে বলা হয়েছে, নামাজ শেষ হলে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করো। তবে জুমার পরের সুন্নত নামাজ আদায় করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জুমার সুন্নত আদায়ে অনেকেই অবহেলা করেন, যা ঠিক নয়।

    মনে রাখতে হবে, জুমার নামাজ জোহরের বিকল্প নয়; এটি একটি স্বতন্ত্র ফরজ ইবাদত। যথাযথ প্রস্তুতি, আদব ও সুন্নত মেনে জুমা আদায় করলে একজন মুসলমান অফুরন্ত সওয়াব ও আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ লাভের আশা করতে পারেন।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…