এইমাত্র
  • বিসিবির অনুরোধ রাখেনি আইসিসি, দিয়েছে হুঁশিয়ারি!
  • চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী ফুল উৎসব
  • তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিত
  • বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন তারেক রহমান
  • বিএনপির বিদ্রোহীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে ব্যবস্থা: নজরুল ইসলাম খান
  • পায়ে হেঁটে বাসা থেকে অফিসে গেলেন তারেক রহমান
  • গুলশানে একটু পরে শুরু হবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক
  • শেষ দিনে ইসিতে ১৩১ প্রার্থীর আপিল
  • রাতেই আসতে পারে তারেক রহমানের ভারমুক্তের ষোঘণা
  • কিশোরগঞ্জ-২ আসনে আলোচনায় এক পরিবারের ত্রিমুখী রাজনীতি
  • আজ শনিবার, ২৭ পৌষ, ১৪৩২ | ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
    জাতীয়

    খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎকার নিয়ে মধুর স্মৃতিচারণে আসিফ নজরুল

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম

    খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎকার নিয়ে মধুর স্মৃতিচারণে আসিফ নজরুল

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎকারের স্মৃতিসহ দীর্ঘ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

    আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, আমি বেগম খালেদা জিয়ার ভক্ত ছিলাম অনেক আগে থেকে। তিনি সাংবাদিক হিসেবে আমাকে পছন্দ করতেন। ১৯৮৮/৮৯ সালের কথা।বিএনপির অফিস ছিল তখন ধানমন্ডিতে। আমি উনার অফিসে বসে সাক্ষাৎকার নিচ্ছি। লিখিত প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার পর তিনি মুখোমুখি প্রশ্ন করার সুযোগ দিলেন সেদিন।   

    তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপিতে তখন এসব দেখাশোনা করতেন ফজলুর রহমান পটল ভাই। মহাসচিব ছিলেন ব্যারিষ্টার আবদুস্ সালাম তালুকদার ভাই। ম্যাডামের রুমে আমি ঢুকলাম ছাত্রদল সভাপতি আসাদুজ্জামান রিপনকে সাথে নিয়ে। ম্যাডাম একটা বিরাট টেবিলের পেছনে বড়সড় চেয়ারে। সামনে টেবিল ঘিরে রাখা চেয়ারের একটাতে আমি, দুরের আরেকটাতে রিপন ভাই। লম্বালম্বি ঘরটার অন্যপ্রান্তে বেতের সোফাসেট। সেখানে বিএনপির সিনিয়র নেতারা বসে আছেন।  

    ‘ম্যাডামের লিখিত উত্তর বেশী আকর্ষণীয় মনে হলো না। সাক্ষাৎকার প্রাণবন্ত করতে আমি ম্যাডামকে চোখা একটা প্রশ্ন করলাম। তিনি একটু থমকে গেলেন। পেছন থেকে সাইফুর রহমান সাহেব বললেন, এটা কিধরনের প্রশ্ন করলেন!’

    ড. আসিফ নজরুল লেখেন, আমি তখন খুব রাগী তরুণ ছিলাম। জনাব রহমানকে বললাম, আপনি কথা বলছেন কেন! আমি তো আপনার ইন্টারভিউ নিচ্ছি না! তিনি রেগে কিছু বলতে যাচ্ছিলেন। ম্যাডাম তাকে থামালেন। তারপর হাসিমুখে আমার প্রশ্নের উত্তর দিলেন। এরপরও চার/পাচবার উনার একান্ত সাক্ষাৎকার নিয়েছি। 

    স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, পিএইচডি শেষ করে দেশে ফেরার পর আমি কলামিষ্ট হলাম, টক-শো তে কথা বলা শুরু করলাম। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর উনার বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা, অপবাদ, হয়রানি ও নির্যাতন শুরু হলো। বেগম খালেদা জিয়া এর মধ্যেও অটল থাকলেন অসীম আত্মত্যাগ, সাহসিকতা আর দেশপ্রেম নিয়ে! 

    উপদেষ্টা লেখেন, আমি ম্যাডামকে প্রচণ্ড ভালোবাসতে আর শ্রদ্ধা করতে শুরু করলাম। শেখ হাসিনার ফ্যসিষ্ট আমলে কোনদিন আমি এই শ্রদ্ধা আর সমর্থন প্রকাশে বিরত ছিলাম না। মীর্জা ফখরুল ভাই ছাড়া বিএনপির-ই কাউকে ম্যাডামের পক্ষে এতোটা বলতে শুনিনি সেই পনের বছরে। 

    স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি আবেগঘনভাবে বলেন, আল্লাহ্ আমাকে তার প্রতিদান দিয়েছেন। ম্যাডামকে শেষ বিদায় দেয়ার দিনে প্রায় সারাটা সময় ছিলাম উনার আর উনার পরিবারের আশেপাশে। উনার সমাধিতে ফুলের ঢালি দিয়েছি। উনার জন্য প্রথম দোয়াতে শরীক হয়েছি। উনাকে জড়িয়ে রাখা ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। এই পতাকা সমুন্নত রাখার জন্য তিনি সারাজীবন বহু বঞ্চনা আর দু:খ কষ্টের শিকার হয়েছেন। এই পতাকা উনার সন্তানের হাতে তুলে দেয়ার সৌভাগ্যও হলো আমারি।

    সবশেষে আল্লাহ্-র কাছে হাজারো শুকরিয়া প্রকাশ করেন ড. আসিফ নজরুল

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…