এইমাত্র
  • যশোরে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে খুনি নিহত
  • বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল যুব টাইগারদের ম্যাচ
  • চট্টগ্রামে মাদ্রাসা সভাপতির বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ, তোলপাড়
  • নোবিপ্রবিতে সিগারেট ও নেশাজাতীয় দ্রব্যে বিক্রি নিষিদ্ধ
  • রেকর্ড ৯ম বারের মতো বিগ ব্যাশের ফাইনালে পার্থ স্কোর্চার্স
  • জামায়াত, এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি
  • বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার প্রশ্নে যা বললেন লিটন
  • কাউকে গোনার টাইম নেই: ফাহিম আল চৌধুরী
  • কিশোরগঞ্জ-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
  • টেকনাফ সীমান্তে থেকে ‘স্থলমাইনের চাপ প্লেট’ উদ্ধার
  • আজ মঙ্গলবার, ৭ মাঘ, ১৪৩২ | ২০ জানুয়ারি, ২০২৬
    লাইফস্টাইল

    বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয় যেসব কারণে

    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৩১ পিএম

    বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয় যেসব কারণে

    লাইফস্টাইল ডেস্ক প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    গোটা বিশ্বেই বাড়ছে বিবাহবিচ্ছেদ। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে এই ধরনের ঘটনা বেশি দেখা যাচ্ছে। সত্য হলো— আইনসম্মতভাবে যেকোনো দম্পতি যেকোনো বয়সেই বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কারও বিবাহবিচ্ছেদ হলেই আমরা জাজমেন্টাল মন্তব্য করতে শুরু করি। হয় পক্ষে বলি, নয়তো বিপক্ষে বলি। কিন্তু বিচ্ছেদ উৎসাহিত করার মতো কোনো বিষয় নয়। দাম্পত্যে নানা টানাপোড়েন থাকলেও একটা সময় পর্যন্ত মানুষ বিবাহবিচ্ছেদের কথা সহজে ভাবতে পারতো না। কিন্তু এখন জীবনের নানা বাঁকে যখনই মানুষ পারিবারিক বাধার সম্মুখীন হচ্ছে, তখন বিচ্ছেদ বেছে নিচ্ছে।

    আধুনিক সমাজে কেন বাড়ছে বিবাহবিচ্ছেদ সেগুলো জেনে নেওয়া যাক-

    ভুল বোঝাবুঝি: খুব সাধারণ ভুল বোঝাবুঝিও পরস্পরের প্রতি অবিশ্বাস সৃষ্টি করে, যার ফলে বিবাহ ভাঙার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। 

    বিশ্বাসঘাতকতা: বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বা বিশ্বাসঘাতকতা সংসারকে দ্রুত ভেঙে দিতে পারে। 

    আসক্তি ও অস্থির আচরণ: অ্যালকোহল, ড্রাগ বা অন্য কোন আসক্তি যার ফলে মেজাজ, দায়িত্ব ও আচরণ খারাপ হয়ে যায়, তা দাম্পত্য জীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলে। 

    উচ্চাকাঙ্খা ও অস্থিতিশীল সম্পর্ক: অর্থ-সামাজিক মর্যাদা বা ক্ষমতার মোহে অন্য সম্পর্ক খোঁজা সম্পর্ককে দুর্বল করে। 

    পারিবারিক চা: পরিবারের অন্যান্য সদস্যের চাপ, কটাক্ষ বা বিরোধ দম্পতির সম্পর্ক ভেঙে দিতে পারে।

    পারস্পরিক সহানুভূতির অভাব: যখন একে অপরের অনুভূতি, চাহিদা বা কঠিন পরিস্থিতি বোঝা ও মানার ক্ষমতা নষ্ট হয়, তখন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

    অবিশ্বাস: সঙ্গীকে ঠকানো এবং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বিচ্ছেদের অন্যতম প্রধান কারণ। সম্পর্কে একবার বিশ্বাস ভেঙ্গে গেলে তা জোড়া লাগানো বেশ কঠিন।

    পরস্পরের মধ্যে যোগাযোগ: পরস্পরের মধ্যে যোগাযোগ কমে গেলে দুজনের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি,হতাশাবোধ তৈরি হয়। ধীরে ধীরে তা বিচ্ছেদের দিকে ঠেলে দেয়।

    আর্থিক সংকট: বিবাহবিচ্ছেদের আরেকটি বড় কারণ অর্থনৈতিক সংকট। ঋণ, দৈন্যতা, অর্থ না থাকায় হতাশাবোধ বৈবাহিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলে। পরবর্তীতে তা বিচ্ছেদে রুপ নেয়।

    দিনের পর দিন তর্কাতর্কি: কোনো বিষয় নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে দিনের পর তর্কাতর্কি এবং মানসিক দ্বন্দ্ব ধীরে ধীরে দাম্পত্য ফাটল ধরায়। দম্পতিরা এ ধরনের সমস্যা কাটাতে না পারলে বিচ্ছেদ অনিবার্য।

    অন্তরঙ্গতার ঘাটতি: সঙ্গীর সঙ্গে শারীরিক ও মানসিক যোগাযোগের ঘাটতি হলে সম্পর্কে দুরত্ব চলে আসে। ধীরে ধীরে একাকীত্ব বাড়ে। পরবর্তীতে তা বিচ্ছেদে রুপ নেয়।

    বদলে যাওয়া: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ বদলে যায়। তার চিন্তা-ভাবনা, আচরণেও আসে পরিবর্তন। এতে সম্পর্কেও প্রভাব পড়ে। সঙ্গীর এমন পরিবর্তন অনেকে মেনে নিতে পারে না। পরবর্তীতে বিচ্ছেদই হয় চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

    বিভিন্ন অগ্রাধিকার: যখন দুজনের জীবনে আলাদা আলাদা ব্যাপারের অগ্রাধিকার থাকে তখন তা সম্পর্কে প্রভাব ফেলে। এমন হলে কখনও কখনও দুজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এর ফলে হয় বিচ্ছেদ।

    নেশার প্রতি আসক্তি: কারও যদি নেশার প্রতি আসক্তি থাকে তাহলে তা সম্পর্কে প্রভাব ফেলে। সঙ্গী যদি মাদকাসক্ত হয় এবং সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে না চায় তাহলে তা বিচ্ছেদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    পারিবারিক সহিংসতা: বিাবাহবিচ্ছেদ বাড়ার অন্যতম বড় কারণ পারিবারিক সহিংসতা। কেউ এ ধরনের সমস্যায় ভূগলে অবশ্যই অন্যদের জানানো ও সহায়তা নেওয়া উচিত।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…