নতুন বছরের শুরুতেই আবারও মুখোমুখি ক্লাব ফুটবল ইতিহাসের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা এবং রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচটি যে বছরের প্রথম ‘এল ক্লাসিকো’ বিষয়টি তা নয়। স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে টানা চতুর্থবারের মতো মুখোমুখি হবে এ দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় সৌদি আরবের জেদ্দায় কিংস আব্দুল্লাহ স্পোর্টস সিটিতে শুরু হবে এ মহাড়ণ।
সাম্প্রতিক সময়ে বার্সেলোনা যে আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে তাই দলটির বড় শক্তি। হ্যান্সি ফ্লিকের অধীনে দলটি রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। বল দখলে ধৈর্য, মাঝমাঠে দ্রুত পাসিং আর আক্রমণে তরুণদের সাহসী সিদ্ধান্ত; সব দিক থেকেই বার্সেলোনা নিজেদের অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
তাছাড়া হ্যান্সি ফ্লিকের জন্য যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো, বর্তমানে দলটিতে বড় কোনো ইনজুরির সমস্যা নেই। ফলে কোচ নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধার মুখে পড়ছেন না।
রিয়ালের বিপক্ষে এ ম্যাচে বার্সার সম্ভাব্য কৌশল অনেকটা স্পষ্ট। ইনজুরিতে জর্জরিত রিয়ালের রক্ষণভাগকে ভাঙতে মাঝমাঠে বেশি গুরুত্ব দেবে দলটি। তাছাড়া পেদ্রি ও দানি ওলমোর মতো তরুণরা রিয়ালের আক্রমণভাগকেও চাপে রাখতে পারবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
রিয়াল মাদ্রিদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের অভিজ্ঞতা। দলটি সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগলেও বড় ম্যাচে কীভাবে টিকে থাকতে হয় সেটা তারা জানে। তবে ইনজুরি সমস্যা এবং একাদশের অনিশ্চয়তা তাদের পরিকল্পনাকে জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে এমবাপ্পে পুরোপুরি ফিট না হলে আক্রমণে রিয়ালের ভয়টা অনেকটাই বেড়ে যাবে।
তবে ম্যাচটি যেহেতু ‘এল ক্লাসিকে’ তাই পরিসংখ্যান কিংবা সাম্প্রতিক ফর্ম এক্ষেত্রে মুখ্য নয়। এ ম্যাচে ভাগ্য নির্ধারণ করবে সূক্ষ্ম কিছু বিষয়। কে বলের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, কে ভুল কম করে এবং কে চাপের মুহূর্তে সিদ্ধান্তে শান্ত থাকতে পারে এসব বিষয়ের ওপরই নির্ভর করছে এ ম্যাচের ভাগ্য।
আরডি