ইরানে সরকারবিরোধী সহিংস বিক্ষোভে নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের স্মরণে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের সড়কগুলোতে ঢল নেমেছে হাজারো শোকাহত মানুষের।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেকে ইরানের জাতীয় পতাকা এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি ও তাদের নিহত স্বজনদের ছবি হাতে নিয়ে অংশ নেন।
ইরানি পতাকায় মোড়ানো কফিনগুলো বড় ট্রাকের পেছনে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়, যার ওপর লাল-সাদা গোলাপ ও নিহতদের বাঁধানো ছবি সাজানো ছিল।
বিপুল জনসমাগমের মধ্যে মঞ্চ থেকে শোকগাথা পাঠের সময় মানুষজন স্লোগান দেন এবং ‘বুকে আঘাত করে’ শোক প্রকাশ করেন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, দুই সপ্তাহের অস্থিরতায় ইরানে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে আল জাজিরা এসব সংখ্যা কিংবা ইরানি কর্মকর্তাদের দেয়া হিসাব স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
এদিকে ইরানে হামলা চালানো হলে শত্রুর জন্য ‘অনেক চমক’ অপেক্ষা করছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ।
ইরানে সহিংস বিক্ষোভ ও অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়ার পর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিরজাদেহ এই মন্তব্য করলেন।
ইরানি সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাত আল জাজিরা জানায়, আজিজ নাসিরজাদেহ এক নিরাপত্তা বৈঠকে বলেছেন,
এই হুমকিগুলো (ট্রাম্পের) যদি বাস্তব রূপ নেয়, তাহলে আমরা শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত পূর্ণ শক্তিতে দেশকে রক্ষা করব এবং আমাদের প্রতিরোধ তাদের জন্য হবে যন্ত্রণাদায়ক।
তিনি সতর্ক করে আরও জানান, ইরানে যেকোনো হামলায় সহায়তা দেয়া দেশগুলোও ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে’ পরিণত হবে।
এমআর-২