এইমাত্র
  • জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হচ্ছেন ৩০ জন
  • নবম পে-স্কেলের দাবিতে কঠোর কর্মসূচির পথে সরকারি চাকরিজীবীরা
  • টেংরাটিলা বিস্ফোরণে ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে বাংলাদেশ
  • জামায়াত নেতা নিহত হওয়ার পর ঝিনাইগাতীতে ইউএনও–ওসি প্রত্যাহার
  • ইরানি বিপ্লবী গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত’ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  • জব্দ করা একটি ট্যাংকার জাহাজ ভেনেজুয়েলাকে ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
  • বঙ্গোপসাগরে যৌথ সামরিক মহড়া করছে ভারত-রাশিয়া
  • চতুর্থবারের মতো পেছালো হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ
  • সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা
  • ময়মনসিংহে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল কলেজ ছাত্রের
  • আজ শুক্রবার, ১৬ মাঘ, ১৪৩২ | ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    আন্তর্জাতিক আদালতের রায়

    টেংরাটিলা বিস্ফোরণে ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে বাংলাদেশ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:০১ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:০১ পিএম

    টেংরাটিলা বিস্ফোরণে ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে বাংলাদেশ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:০১ পিএম

    সুনামগঞ্জের ছাতকে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক আদালত। ২০০৫ সালে সংঘটিত ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনায় ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (ইকসিড) কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোকে ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালটিতে গ্যাসের ক্ষতি বাবদ ১১৮ মিলিয়ন ও রাষ্ট্রের ক্ষতি বাবদ ৮৯৬ মিলিয়ন ডলারের একটি হিসাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে হিসাবে বিস্ফোরণের ফলে পরিবেশগত ক্ষতি ও স্বাস্থ্যগত ক্ষতির হিসাব যোগের আবেদনও করা হয়েছিল।

    পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান গণমাধ্যমকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

    সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়নে ২০০৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানির সঙ্গে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোর চুক্তি হয়। পরবর্তীতে কূপ খনন শুরু হলে ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি গ্যাসক্ষেত্রটিতে মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এরপর একই বছরের ২৪ জুন দ্বিতীয় দফায় গ্যাসক্ষেত্রটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। এর ফলে গ্যাসক্ষেত্র ও এর আশপাশের এলাকায় পরিবেশ ও জনজীবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

    এ ঘটনায় পেট্রোবাংলা নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলেও বিদেশি কোম্পানিটি তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে ক্ষতিপূরণ আদায়ে নাইকোর বিরুদ্ধে স্থানীয় নিম্ন আদালতে মামলা করে পেট্রোবাংলা।

    এফএস

    ট্যাগ :

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…