এইমাত্র
  • হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল-গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরান-চীন আলোচনা
  • ইরানের পর কিউবা এখন ‘সময়ের ব্যাপার মাত্র’: ট্রাম্প
  • বাহরাইনে হোটেলে ড্রোন হামলা, মার্কিন সেনারা সেখানে ছিলেন ধারণা করা হচ্ছে
  • সৌদি আরবকে ধন্যবাদ দিলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত
  • জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা করল আইনজীবি স্বামী
  • আইভী ও বদির জামিন স্থগিত
  • তীরে গিয়ে তরী ডুবাল ইংল্যান্ড, ফাইনালে ভারত
  • প্রধানমন্ত্রীর পূর্বঘোষিত দুই ইফতার মাহফিল বাতিল
  • আজারবাইজানে হামলার দাবি অস্বীকার ইরানের
  • গোটা মধ্যপ্রাচ্য রণক্ষেত্র, কোন দেশে কত নিহত
  • আজ শুক্রবার, ২২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৬ মার্চ, ২০২৬
    ফিচার

    আজ ঐতিহাসিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস

    ফিচার ডেস্ক প্রকাশ: ২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
    ফিচার ডেস্ক প্রকাশ: ২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৬ এএম

    আজ ঐতিহাসিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস

    ফিচার ডেস্ক প্রকাশ: ২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
    ছবি: সংগৃহীত

    আজ ২ মার্চ, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস। একাত্তরের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলা ভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা তোলা হয়েছিল। সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝখানে সোনালি মানচিত্র খচিত পতাকা। ওইদিন পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ডাকসুর সহসভাপতি আ স ম আবদুর রব।

    পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ তৎকালীন ডাকসু নেতাদের উদ্যোগে সাড়া দিয়েছিল আমজনতা।

    প্রকৃতপক্ষে সেদিনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি ছাত্র-জনতা স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিমন্ত্রে উজ্জীবিত হয় এবং স্বাধীনতা অর্জনের পথে যাত্রা শুরু করে। পতাকা উত্তোলনই জানান দেয় স্বাধীন বাংলাদেশের বিকল্প নেই।

    দীর্ঘ ৯ মাসের বহু ত্যাগ, রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। স্বাধীনতা সংগ্রামের ৯ মাস এই পতাকাই বিবেচিত হয় আমাদের জাতীয় পতাকা হিসেবে। 

    ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২ মার্চ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষিত হওয়ায় সকাল থেকেই দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ ঢাকার রাজপথে অবস্থান নেয়; ঢাকা পরিণত হয় মিছিলের নগরীতে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর জুলুম, নিগ্রহ, শোষণ আর নিপীড়নের বিরুদ্ধে তৎকালীন ডাকসু নেতাদের উদ্যোগের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ জড়ো হতে থাকেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়।

    অকুতোভয় ছাত্রসমাজ ও জনতা পাকিস্তানের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে জানিয়ে দেয় বাঙালিরা মাথা নত করবে না।

    বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ওই পতাকা সর্বপ্রথম উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রলীগের তৎকালীন নেতা আ স ম আব্দুর রব। তখন ছাত্র সমাবেশের নেতৃত্বে ছিলেন নূরে আলম সিদ্দিকী, আব্দুল কুদ্দুস মাখন, শাহজাহান সিরাজ, আ স ম আব্দুর রব প্রমুখ।

    পরে ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডিতে তার নিজ বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

    যদিও সেসময় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপ সবুজ আয়তক্ষেত্রের মাঝে লাল বৃত্ত ছিল না। তখন সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝে সোনালি মানচিত্র ছিল, যা শিব নারায়ণ দাশ নকশা করেছিলেন।

    পরে ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে পতাকার বর্তমান রূপ গৃহীত হয়, যেখানে মানচিত্র বাদ দেওয়া হয়। এর নকশা করেন কামরুল হাসান। সবুজের মাঝে লাল রঙের ভরাট বৃত্তটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনা স্বাধীনতার নতুন সূর্যের প্রতীক।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…