এইমাত্র
  • ৪ আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ
  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়েছে ইরান
  • ইউরোপের দেশ সাইপ্রাসে ব্রিটিশ ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা
  • যশোরের শার্শায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গ্রাম পুলিশের মৃত্যু
  • খুনির মোটরসাইকেলে লেখা ছিল ‘হাদি ইজ নট নেম, হাদি মিনস বাংলাদেশ’
  • ফুলে ভরে উঠেছে আমবাগান, ন্যায্য দামের প্রত্যাশায় চাষিরা
  • ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আগামীকাল
  • এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তরুণ নিহত
  • খামেনি আমাকে মারার আগেই তাকে মেরেছি : ট্রাম্প
  • সিরাজগঞ্জে শিক্ষকের বাড়ি থেকে গাঁজার গাছ উদ্ধার
  • আজ সোমবার, ১৮ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২ মার্চ, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    ফুলে ভরে উঠেছে আমবাগান, ন্যায্য দামের প্রত্যাশায় চাষিরা

    মোস্তাফিজুর রহমান, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ মার্চ ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
    মোস্তাফিজুর রহমান, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ মার্চ ২০২৬, ১২:১৪ পিএম

    ফুলে ভরে উঠেছে আমবাগান, ন্যায্য দামের প্রত্যাশায় চাষিরা

    মোস্তাফিজুর রহমান, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ মার্চ ২০২৬, ১২:১৪ পিএম

    নববসন্তের হাওয়ায় দুলছে আমের মুকুল। ফুলে ফুলে গুঞ্জন করছে মৌমাছি। মুকুল আর কচি পাতার ঘ্রাণে ম-ম করছে চারদিক। পাতার ফাঁকে ফুটে থাকা ফুল আর বাড়তে শুরু করা কুঁড়ি যেন নতুন আশার সঞ্চার করছে আমচাষিদের মনে।

    তবে মাসটি ফাগুন। এ সময় হঠাৎ ঝড়ঝাপটা এলে মুহূর্তেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে সব স্বপ্ন। এবার তীব্র কুয়াশা ছিল না, এখনো উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতও হয়নি। অনুকূল আবহাওয়ায় রাজশাহী অঞ্চলে আমের ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

    তবে গত দুই বছর ধরে দেশের বাইরে আম রপ্তানি বন্ধ থাকায় উৎপাদনকারীরা হতাশ। দেশের বাজারেও মিলছে না প্রত্যাশিত দাম। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কয়েকজন আমচাষির সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

    চাষিরা বলছেন, নিয়মিত পরিচর্যা ও ঝলমলে রোদ এবার ভালো ফলনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কিন্তু তাদের হতাশার জায়গা একটাই—দাম। ভরা মৌসুমেও অনেক সময় ন্যায্য দাম পান না তারা।

    ২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিদেশে আম রপ্তানি হলেও গত দুই বছর ধরে তা বন্ধ রয়েছে। ন্যায্য দাম না পেয়ে অনেকেই আমগাছ কেটে ফেলছেন বলেও জানিয়েছেন চাষিরা। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী জনসভায় রাজশাহীর আম নিয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় কৃষকদের মনে কিছুটা আশার সঞ্চার হয়েছে।

    এদিকে কৃষি বিভাগের দাবি, নিম্নমানের আমের দাম কম পাওয়ায় চাষিরা এখন উন্নত জাতের আমগাছ রোপণে আগ্রহী হচ্ছেন। রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের লক্ষ্যে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

    বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, “এবার প্রায় প্রতিটি আমগাছেই মুকুল এসেছে। প্রকৃতি যেন নতুন আশার বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না ঘটলে এ বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আমের ফলন হতে পারে। কৃষকদের যত্ন ও অনুকূল পরিবেশ একসঙ্গে থাকলে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনাও রয়েছে।”

    ভালো ফলনের প্রত্যাশা থাকলেও এখন চাষিদের প্রধান চিন্তা ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা। উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার এই সময়ে বাজার স্থিতিশীল না হলে লাভের মুখ দেখা কঠিন হবে বলে মনে করছেন তারা।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…